খেলা

লঙ্কানদের হারালো টাইগার যুবারা

স্পোর্টস ডেস্ক : প্রথম ওয়ানডেতে ১৮৬ রানের বড় ব্যবধানে শ্রীলঙ্কান ইমার্জিং দলের বিপক্ষে হেরেছিলো বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। দ্বিতীয় ম্যাচে এসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর নেতৃত্বাধীন দল। আর তাতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন শান্ত, দাপুটে ইনিংস খেলেছেন ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি। সফকারীরা হেরেছে ২ উইকেটের ব্যবধানে।
২৭৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে শুরুতেই মোহাম্মদ নাইম শেখের উইকেট হারায় বাংলাদেশ ইমার্জিং দল। ৮ বলে ১ চারে ৫ রান করে রানআউট হন নাইম। অপর ওপেনার মোহাম্মদ সাইফ হাসান ধীরে খেলছিলেন। ৪৯ বলে ৪ চারে ২৭ রান করে ফেরেন তিনিও।
তৃতীয় উইকেট জুটিতে বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনে নামা নাজমুল হোসেন শান্ত ও চারে নামা ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি। অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ৮৮ বলে ৯ চার ও ১ ছয়ে ৭৭ রান করে থামলে ভাঙে ১২০ রানের জুটি।
চতুর্থ উইকেটে আফিফ হোসেন ধ্রুবর সঙ্গে ৪৩ রানের কার্যকরী জুটি গড়েন ইয়াসির আলি চৌধুরী রাব্বি। ৯৩ বলে ৩ চার ও ৫ ছয়ে ৮৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন রাব্বি। ১৫ রানের জন্য হাতছাড়া করেন সেঞ্চুরি।
রাব্বির বিদায়ের পর ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে স্বাগতিকরা। ২৩ বলে ২ চারে ১৮ রান করে আউট হন আফিফ হোসেন ধ্রুব। রানআউট হওয়া আমিনুল ইসলাম বিপ্লব করেন ৮ রান। সুমন খান আউট হন ৫ রান করে। ২২৭/৪ থেকে চোখের পলকে স্কোরবোর্ডের চেহারা হয় এমন- ২৬১/৮।
শেষ ওভারে বাংলাদেশ দলের দরকার ছিলো ১২ রান। বল হাতে ১০ ওভারে ৬১ রান দেওয়া ইয়াসিন আরাফাত মিশু টানা দুই ছক্কা হাকিয়ে জয় নিশ্চিত করেন। ৩ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ৩ বল ও ২ উইকেট হাতে রেখে জয় পায় স্বাগতিকরা।
এর আগে সাভারে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) ৩ নম্বর গ্রাউন্ডে ১ম ম্যাচের মতো দ্বিতীয় ম্যাচেও টসে জিতে আগে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেন লঙ্কান ইমার্জিং দলের অধিনায়ক চারিথ আসালাঙ্কা।
ইনিংসের ৬ষ্ঠ ওভারে ওপেনার সুন্দুন বিরাক্কোডিকে বোল্ড করে ফেরান নাইম হাসান। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ৬৬ রান তুলে সে ধাক্কা সামলান ওপেন করতে নামা পাধুন নিসাঙ্কা ও তিনে নামা চারিথ আসালাঙ্কা। ৫৭ বলে ৮ চারে ৫৫ রান করা পাধুন নিসাঙ্কাকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান আমিনুল ইসলাম বিপ্লব।
চারে নেমে দ্রুত রান করতে শুরু করেছিলেন শাম্মু আসান। ১ চার, ২ ছয়ে ১৫ বলে ২১ করে নাইম হাসানের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিনি। ১৩ রানের ব্যবধানে সাজঘরে ফেরেন চারিথ আসালাঙ্কা (৪৫) ও ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাও (৫)। দুজনকেই ফেরান শফিকুল ইসলাম।
এরপর হাল ধরেন কামিন্দু মেন্ডিস। লেজের দিকের ব্যাটসম্যানদের সাথে নিয়ে লড়াকু সংগ্রহ দাড় করাতে উদ্যত হন তিনি। ৫ চারে ৮১ বলে ৬৫ রান করা কামিন্দু মেন্ডিস লঙ্কান ইমার্জিং দলের ইনিংসের সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক। কম যাননি আটে নামা জিহান ড্যানিয়েলও। সুমন খানের বলে বোল্ড হবার আগে করেন ৪ চারে ৪৩ রান (৪১ বলে)।
৪৯.৪ বলে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৭৩ রান স্কোরবোর্ডে জমা করে শ্রীলঙ্কা ইমার্জিং দল। বাংলাদেশ ইমার্জিং দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শফিকুল ইসলাম। ২ উইকেট নেন নাইম হাসান। ১ টি করে উইকেট নেন সুমন খান, আমিনুল ইসলাম বিপ্লব ও ইয়াসিন আরাফাত মিশু।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button