
জাভা সাগরে ভেঙে পড়া ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় লায়ন এয়ারলাইন্সের বিমানের চালক ছিলেন একজন ভারতীয়। তিনি হলেন দিল্লির বাসিন্দা ভব্য সুনেজার বয়স ৩১। সাত বছর আগে লায়ন এয়ারে কাজ শুরু করেন তিনি। তার আগে সুনেজার ছিলেন শিক্ষানবিশ বিমান চালক।
জানা যায়, জাকার্তা থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যে জাভা সাগরে পড়ে যায় এই বোয়িং বিমান। সেই সময় বিমানে ছিলেন প্রায় ১৮৯ জন যাত্রী। মনে করা হচ্ছে, তারা সকলেই সাগরে তলিয়ে গেছেন। উড়তে শুরু করার ১৩ মিনিটের মধ্যেই বিমানটির সঙ্গে সব রকম যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
লিঙ্কডিন প্রোফাইল থেকে জানা গেছে, বেল এয়ার ইন্টারন্যাশনাল থেকে প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ভব্য সুনেজা। পরে এমিরেটস সংস্থায় ট্রেনি পাইলট হিসবে কাজ করেছেন তিনি। এরপর যোগ দেন এই সংস্থায়। তাছাড়া বোয়িং ৭৩৭ বিমান চালনাতেও পারদর্শী সুনেজা।
অন্যদিকে, স্থানীয় প্রশাসনের দাবি বিমান থেকে তারা এমন কোনও সংকেত পায়নি যা থেকে বিপদের আশঙ্কা করা যেত। পাশাপাশি কারও বেঁচে থাকার খবরও নেই তাদের কাছে।
উদ্ধার কাজ ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা দেখতে তৈরি দপ্তরের কর্তা মোহাম্মদ সুয়েগি পানির ৩০ থেকে ৩৫ মিটার গভীরতায় হেড ফোনের মতো জিনিস পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
তিনি জানান, জলযান ব্যবহার করে উদ্ধার কাজ চলছে। পাশাপাশি হেলিকপ্টার থেকেও সমুদ্রের নানা অংশে তল্লাশি চলছে।
উড়ান সংস্থার চিফ এগজিকিউটিভ এডওয়ার্ড সিরটাইট জানান, কেন এই দুর্ঘটনা ঘটল তা স্পষ্ট নয়। তবে নতুন বিমানের সঙ্গে এমন একটা দুর্ঘটনা কীভাবে ঘটল তা বিস্ময়ের।
এদিকে, অত্যাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স বিমানে এই প্রথম দুর্ঘটনা ঘটল। জ্বালানির সাশ্রয় করা ছাড়া আরও অনেক বৈশিষ্ট রয়েছে এই বিমানের। ২০১৭ সালে প্রথম আত্মপ্রকাশ করে এই মডেলের বিমান।
সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, লায়ন এয়ারের সঙ্গে যুক্ত মালোয়েশিয়ার একটি বিয়ান সংস্থা প্রথম এই মডেলের বিমান ক্রয় করে।




