ভূমি ও পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের অনিয়ম- হয়রানি দুর্ণীতির বিরুদ্ধে কৃষক সমিতির বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি

মানিকগঞ্জ থেকে সংবাদদাতা : কৃষি আমাদের অর্থণীতির ভিত্তি। খরা-বৃষ্টি জলাবদ্ধতা,আকস্মমিক বন্যা ইত্যাদি নানা ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিকুলতা মোকাবেলা করে কৃষক মাথার ঘাম পায়ে ফেলে,রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে ফসল উৎপাদন করে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পুর্ণ রেখেছে। অথচ মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ্যের সরকার কৃষকের ঘারে ঋণের বোঝা দিয়ে উৎপাদন ব্যয় বাড়িয়ে আতœমর্যাদা ¤øান করে অবহেলিত ও নিগৃহিত করে আসছে।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কেন্দ্রীয় ভাবে সারা দেশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরারর ভূমি ও পল্লী বিদ্যুতের অনিয়ম হয়রানী দুর্নিতী বন্ধ করা ও ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত করতে ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু সহ অন্যান্য দাবিতে কৃষক সমিতির ব্যনারে বিক্ষোভ,ঘেরাও ও স্মারক লিপি প্রদান কর্মসুচি পালন করেছে।
কেন্্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি মানিকগঞ্জ জেলা সমিতি সকাল ১১.০০-১.০০ পর্যন্ত মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসের সামনে মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে স্মারক লিপি প্রদান করেন। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে জেলা কৃষক সমিতির সহ-সভাপতি কমরেড সেতোয়ার হোসেন এর সভাপতিত্তে¡ ও সাধারন সম্পাদক কমরেড নজরুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কৃষক সমিতি কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আজাহারুল ইসলাম আরজু, আরো বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ঠ শিক্ষাবিদ কমরেড অধ্যাপক আবুল ইসরাম শিকদার, সিপিবি জেলা কমিটির সভাপতি কমরেড নুরুল ইসলাম, সিপিবি সদর উপজেলা সভাপতি কমরেড আশরাফ সিদ্দিকি,ক্ষেতমজুর সমিতির জেলা সাধারন সম্পাদক কমরেড আব্দুর রাজ্জাক, সিপিবি সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কমরেড খশি মোহন দাস,যুব ইউনিয়ন জেলা সাধারন সম্পাদক কমরেড আরশেদ আলী মাস্টার, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সভাপতি আনোয়ার হোসেন দুর্জয়,সাধারন সম্পাদক শাহিনুর রহমান শাহিন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন কৃষক ভূমি অফিসের নামজারি জমি বেচা কেনা ও তহসিল অফিসের খাজনা দিতে গিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও দুর্ণীতির শীকার হচ্ছে। অন্যদিকে পল্লী বিদ্যুতসহ গ্রাম অঞ্চলে বিদ্যুত বিতরনে নিয়োজিত বিভিন্ন কোম্পানি আজ এভারেজ বিলিং ও ওভার বিলিং করে কৃষকসহ গ্রাহকের নিকট থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। সরকার ফসলের মূল্য নির্ধারন করলেও সরকারি ক্রয়কেন্দ্র সংক্রান্ত নীতিমালা কৃষকের অনুকুলে না হওয়ায় কৃষক লাভজনক দাম পাচ্ছে না অন্যদিকে কৃষকের গণতান্ত্রিক অধিকার হরন করা হয়েছে। শস্য বীমা,পল্লী রেশনিং,সহজ শর্তে কৃষি ঋণ ও কৃষক পেনশন স্কীম চালুর দাবিতে কৃষক সমিতি দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে। দেশের কৃষক ও মেহনতি মানুষের এই সকল দাবি বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে আন্দালন সংগ্রাম করে যাব এবং প্রয়োজনে কৃষক ধর্মঘট করে ফসল বিক্রি বন্ধ করে ভারতীয় আধিপাত্যবাদ,সা¤্রাজ্যবদী ফ্যসিষ্ট -নতজনু সরকারে পতন ঘটাতে বাধ্য করব।



