সবুজ পাহাড়ের কোলে বেয়ে চলা এক সিঁড়ির গল্প

হাতিমূড়া/হাতিমাথা পাহাড় যা ত্রিপুরা ভাষায় মায়ুংকপাল ও চাকমা ভাষায় এদো সিরে মোন। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত এই পাহাড়ের কোল ঘেষে ত্রিপুরা পাড়ায় যাওয়ার জন্য ছবির এই সিঁড়িটি ১৩ জুন ২০১৫ সালে নির্মান করা হয়। পাহাড়টির মোট উচ্চতা প্রায় ১২০৮ ফিট যার মধ্যে ২৬৭ ধাপ বিশিষ্ট সিঁড়িটির মোট উচ্চতা প্রায় ৪০০ ফিট, গ্রামবাসীর সুবিধার্থে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এটি নির্মাণ করে। মূলত পাহাড়টি হাতির মাথার ন্যয় আকৃতি হওয়ায় এর এই নামকরণ করা হয়।
এই সিঁড়ি নির্মাণের পূর্বে হাতিমূড়া পাহাড় চূড়া হয়ে অন্য প্রান্তের বাসিন্দাদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তুলাগাছ আর বাঁশের সাহায্য নিয়ে বাজার হাট কিংবা অন্য কোন প্রয়োজনে এপ্রান্তে আসতে হতো। সেই ভয়ংকর সিঁড়িপথে দশ পাড়া-মহল্লার হাজার মানুষের নিত্য চলাচল ছিল। পাহাড় চূড়ার এসব মানুষের নেই সমতলের সঙ্গে যোগাযোগের বিকল্প পথ। তাই বছরের পর বছর চলছিল এভাবেই। (তখনকার যাতায়াত অবস্থার ছবি কয়েকটি আমার সংগ্রহে ও ছিল। খুঁজে পরে কমেন্ট লাইনে দিয়ে দিবো।) অবশেষে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ব্যবস্থাপনায় এই সিঁড়িটি নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হলে সেই মানুষগুলোর দীর্ঘদিনের একটি জটিল সমস্যার সমাধান হয়।
** আহমেদ আমান মাসুদের ফেসবুক পোস্ট থেকে **



