‘রাজনীতিকে সাংস্কৃতিক আন্দোলনে পরিণত করেছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ’

তাজউদ্দীন আহমদ তার ৫০ বছরের জীবনে অনবদ্য অবদান রেখে গেছেন। সততা ও আদর্শ ছিল তার চিন্তার ভিত্তি। রাজনীতিকে তিনি সাংস্কৃতিক আন্দোলনে পরিণত করেছিলেন।
রবিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘তাজউদ্দীন আহমদ স্মারক বক্তৃতা, শান্তি ও স্বর্ণপদক, বৃত্তি ও রচনা প্রতিযোগিতার পুরষ্কার বিতরণী ২০১৭’ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বক্তারা এসব কথা বলেন। ‘তাজউদ্দীন আহমদ মেমোরিয়াল ট্রাস্ট ফান্ড অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে অনার্সে সর্বোচ্চ ফলাফল করায় শান্তি ও সংঘর্ষ বিভাগের ছাত্রী আদিবা সুলতানা মীমকে তাজউদ্দীন আহমদ স্বর্ণপদক প্রদান করা হয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক আখতারুজ্জামান। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, তাজউদ্দীন আহমদের মেয়ে ও সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি। অনুষ্ঠানে ‘ইতিহাসের রুপকার তাজউদ্দীন আহমদ’ শিরোনামে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম।
অধ্যাপক আখতারুজ্জামান বলেন, তাজউদ্দীন আহমদ বঙ্গবন্ধুর পাঁচ বছরের ছোট ছিলেন। সেই সময়কার সমাজের যে মূল্যবোধ বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাজউদ্দীন আহমদ তা বজায় রেখেছিলেন। তার সকল কর্মকাণ্ডে তিনি বঙ্গবন্ধুকে পাথেয় হিসেবে নিয়েছিলেন। একটা গুজব আছে বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছেদ হয়েছিল। কিন্তু প্রকৃত ঘটনা হলো শেষ দিন পর্যন্ত তাদের পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধ ছিল। কারণ তিনি এ কারণে হত্যার স্বীকার হয়েছিলেন যে, হত্যাকারীরা মনে করতো বঙ্গবন্ধুর অবর্তমানে তাজউদ্দীন আহমদই তার আদর্শকে এগিয়ে নিবে।




