মালয়েশিয়ায় বৈধতাপ্রত্যাশীদের শীর্ষে বাংলাদেশীরা
পতাকা ডেস্ক : মালয়েশিয়ায় অবৈধভাবে অবস্থানরত শ্রমিকদের বৈধ হতে সরকারের দেয়া সাড়ে চার মাসের সময়সীমার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আবেদন করেছেন বাংলাদেশীরা।
শুক্রবার মধ্যরাতের পর থেকেই অবৈধদের ধরতে সাঁড়াশি অভিযান চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক মুস্তাফার আলী। বিডি নিউজ।
কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ই-কার্ড নেয়ার সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না। সময়সীমা শেষ হওয়ার সাথে সাথে অবৈধ অভিবাসীদের গ্রেফতার অভিযান শুরু হবে; তাদের নিয়োগদাতাদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
২৬ হাজার ৯৫৭টি কোম্পানির মোট এক লাখ ৫৫ হাজার ৬৮০ জন অবৈধ প্রবাসী আবেদনকারীর মধ্যে বাংলাদেশীর সংখ্যা ৭১ হাজার ৯০৩; এর পরেই রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার ২৬ হাজার ৭৬৪ ও মিয়ানমারের ১১ হাজার ৮২৫ নাগরিক।
এক লাখ ৪০ হাজার ৭৪৬ জনকে ই-কার্ড ইস্যু করা হয়েছে, সরকারের নির্ধারিত ল্যমাত্রার চেয়ে চার ভাগের এক ভাগেরও কম।
এই সময়ে মোট ৬ লাখ অবৈধ শ্রমিক ই-কার্ডের সুবিধা নেবে বলে মালয়েশিয়ার অভিবাসন কর্তৃপরে প্রত্যাশা ছিল।
১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে মালয়েশিয়া সরকার বিদেশী কর্মীদের জন্য বৈধ হওয়ার এ সুযোগ চালু করে।
বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম কাউন্সিলর সায়েদুল ইসলাম তখন জানান, রি-হায়ারিং কর্মসূচির সহায়ক হিসেবে মালয়েশিয়া সরকার ই-কার্ড কর্মসূচি চালু করে।
এই কর্মসূচির আওতায় পাওয়া ই-কার্ড ২০১৮ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কার্যকর থাকবে।
যাদের পাসপোর্ট নেই তারা এই সময়ের মধ্যে হাইকমিশন থেকে পাসপোর্ট সংগ্রহ করে তারপর রি-হায়ারিং কর্মসূচির আওতায় ভিসা নিতে পারবেন।
মালয়েশিয়ার শিল্প মালিকদের বিভিন্ন সংগঠন ই-কার্ড নেয়ার এ সময়সীমা আরো বাড়ানোর দাবি করেছে বলে দেশটির সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।




