মাইলফলকের সামনে দাড়িয়ে মাহমুদউল্লাহ- সৌম্য

স্পোর্টস ডেস্ক: ত্রিদেশীয় সিরিজ জেতা হচ্ছে না সেটা আগেই নিশ্চিত হয়ে গেছে। বাংলাদেশ ও আয়াল্যান্ডের বিপক্ষে জিতে সিরিজ নিজেদের করে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। তারপরও বুধবার সিরিজের শেষ ম্যাচটা বেশ গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশের জন্য। কারণ নিউজিল্যান্ডকে হারাতে পারলেই শ্রীলঙ্কাকে হাঁটিয়ে ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ের ছয় নম্বরে উঠে আসবে বাংলাদেশ। সেই সাথে আগামী বিশ্বকাপের টিকিটও অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যাবে। ফলে বুধবার জিতলে সেটা বড় অর্জনই হবে মাশরাফিদের জন্য। বড় অর্জনের সামনে দাঁড়িয়ে তরুণ ওপেনার সৌম্য সরকার ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও।
অনেকদিন ধরে অফ ফর্মে থাকা সৌম্য দুর্দান্ত খেলছেন ত্রিদেশীয় সিরিজে। গত ম্যাচে ৮৭ রানের ম্যাচজয়ী অপরাজিত এক ইনিংস খেলেছিলেন। আজ তার আশে পাশে গেলেই ওয়ানডে ক্রিকেটে এক হাজার রান পূর্ণ করার মাইলফলক স্পর্শ করবেন সৌম্য। এক হাজার রানের কোটা স্পর্শ করতে আর ৭৫ রান দরকার তরুণ এই ওপেনারের।
২০১৪ সালের ডিসেম্বরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অভিষেকের পর ২৬ ম্যাচ খেলে ৪২.০৪ গড়ে এখন পর্যন্ত সৌম্যর ওয়ানডে রাত ৯২৫। আজ ৭৫ রান করতে পারলে অনন্য একটা রেকর্ডও হয়ে যাবে সৌম্যর। দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে দ্রুততম এক হাজার রান করার গৌরব অর্জন করবেন।
২৯ ম্যাচ খেলে এক হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন শাহরিয়ার নাফীস। এখন পর্যন্ত এটিই বাংলাদেশের পক্ষে দ্রুততম এক হাজার রান করার রেকর্ড। সৌম্য আজ না পারলেও অবশ্য আরও এক ম্যাচ সুযোগ পাবেন দ্রুততম এক হাজার রানের রেকর্ড নিজের নামে লিখে নেওয়ার।
মাইলফলকের সামনে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও। আজ মাত্র ২৮ রান করলেই পঞ্চম ক্রিকেটার হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষে তিন হাজার রানের মাইলফলক স্পর্শ করবেন মাহমুদউল্লাহ। এর আগে মোহাম্মদ আশরাফুল, তামিম ইকবাল, সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিম এই মাইলফলক পেরিয়েছেন। ২০০৭ সালের জুলাইয়ে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অভিষেকের পর ১৪০ ওয়ানডেতে ৩৩.৩৯ গড়ে রিয়াদের বর্তমান রান ২৯৭২।
এদিকে, মাইলফলক ডাকছে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজাকেও। ১৭৭টি ওয়ানডে খেলে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ওয়ানডে খেলার রেকর্ড এখন সাবেক অধিনায়ক মোহাম্মদ আশরাফুলের। মাশরাফি ওয়ানডে ক্যারিয়ারের ১৭৫ নম্বর ম্যাচ খেলতে নামবেন। অর্থাৎ সব ঠিক থাকলে আগামী চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতেই বন্ধু আশরাফুলকে ছাড়িয়ে দেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ওয়ানডে খেলার রেকর্ড লেখা হবে মাশরাফির নামে।




