sliderস্থানিয়

মেঘা প্রকল্পে বদলে যাচ্ছে কিশোরগঞ্জের, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থা

রতন ঘোষ,কটিয়াদী প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া উপজেলার দীর্ঘদিনের অবহেলিত যোগাযোগ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে একের পর এক মেঘা প্রজেক্ট বাস্তবায়নের কার্যক্রম দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলছে। প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে আঞ্চলিক মহাসড়ক নির্মাণ সহ ব্রহ্মপুত্র নদ ও শাখা নদীর উপর একাধিক সেতু নির্মাণের মহা পরিকল্পনা।

নির্দিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায় গত ১৬ ই আগস্ট কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার আচমিতা ইউনিয়নের জর্জ ইনস্টিটিউশনের মিনি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত জাতীয় মৎস্যপক্ষ ২০২৬ এর উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। উক্ত অনুষ্ঠানে স্থানীয় এমপি এডভোকেট জালাল উদ্দিন, কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া জনগণের দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন বাস্তবায়নের জন্য সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নিকট লিখিত আবেদন ও ডিও লেটার পেশ করেন। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী এই আবেদনটি দ্রুত অগ্রাধিকার প্রদান করে নীতিগত ভাবে অনুমোদন করেন।

অনুমোদিত প্রধান মেগা প্রকল্পসমূহের মধ্যে রয়েছে, কটিয়াদী বাস স্ট্যান্ড থেকে, পাকুন্দিয়া থানারঘাট হয়ে টুক ও কাপাসিয়া এবং রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিকে চার লেনে, উন্নীত করার প্রস্তাবটি, চূড়ান্ত ভাবে অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।

পাকুন্দিয়া উপজেলার মুনিরাকান্দি বাজার থেকে পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহ জেলার দত্তের বাজার পর্যন্ত, ব্রহ্মপুত্র নদের উপর জোড়া সেতু নির্মাণের চূড়ান্ত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার -১, মোঃ উজ্জল হোসেন জানান, জন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রজেক্টটি বাস্তবায়নে, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছেন।

তাছাড়া কটিয়াদী- পাকুন্দিয়ার ভেতরে আভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজতর করতে, চরপুক্ষিয়া থেকে চরগোয়ালবাড়িয়া এবং বৈরাগীর চর থেকে মনতলা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্র নদ ও শাখা নদীর উপর আরো দুটি সেতু নির্মাণ প্রকল্প, বাস্তবায়নের জন্য পরিচালক নিয়োগ সম্পন্ন পূর্বক, সর জমিনে প্রাথমিক কাজ শুরু করা হয়েছে।

সংসদ সদস্য এডভোকেট জালাল উদ্দিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সার্বিক সহযোগিতায় আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়াবাসীর কাঙ্খিত যোগাযোগ ব্যবস্থা শতভাগ দৃশ্যমান অগ্রগতির আশা করছি “।

প্রকল্প গুলো সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন হলে কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী ময়মনসিংহ বিভাগের সঙ্গে ভ্রমণের সময় যেমন অর্ধেকে নেমে আসবে, তেমনি এই অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি এবং অর্থনীতিতে ব্যাপক গতি সঞ্চার হবে বলে মনে করছেন, উভয় উপজেলার জনগণ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button