
ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে ধারাবাহিক উত্তেজনা এবং গোলাগুলির কারণে জম্মু জেলার সীমান্ত সংলগ্ন ৮০টির বেশি প্রাথমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন।
শুক্রবার গভীর রাতে পাকিস্তানের দিক থেকে আরএস পুরো সেক্টরে ছোট অস্ত্রের মাধ্যমে গুলি করা হয়। দিনের বেলাতেও হীরানগর, সাম্বা এবং আখনুরে গুলি চালানো হয়। ভারতীয় সেনাদের পক্ষ থেকে এর পাল্টা জবাব দেয়া হলে পাকিস্তানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এরকমই চলমান সংঘর্ষের কারণেই মূলত বন্ধ করা হয়েছে স্কুলগুলো।
বিএসএফ দাবি করেছে, তাদের পাল্টা প্রতিরোধে এক সন্ত্রাসী এবং ৭ পাকিস্তানি রেঞ্জার্স নিহত হয়েছে। পাক সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র ৭ রেঞ্জার্স নিহত হওয়ার খবর অস্বীকার করে বলেছেন তাদের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। অন্যদিকে পাক রেঞ্জার্সদের গুলিতে গুরনাম সিং নামে বিএসএফের এক জওয়ান আহত হলে তাকে জম্মুর এক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত লাগোয়া যেসব গ্রাম পাক রেঞ্জার্সের ফায়ারিংয়ের আওতায় আসতে পারে সেসব গ্রামকে সতর্কতামূলকভাবে খালি করা হয়েছে। সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের বাড়ির বাইরে বের হতে নিষেধ করা হয়েছে। বিএসএফকে ২৪ ঘণ্টা সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
আজ শনিবার সকালেও বারামুল্লা থেকে অস্ত্রসহ ২ গেরিলা নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হয়েছে। তাদের কাছ থেকে একটি একে-৪৭ রাইফেল এবং একটি পিস্তলসহ গোলাবারুদ উদ্ধার হয়েছে। এএনআই সূত্রে জানা যায়, সাম্বা সেক্টর থেকে বোধরাজ নামে এক পাক গুপ্তচর গ্রেফতার হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী তার কাছ থেকে দু টি মোবাইল ফোন, পাক সিমকার্ড এবং মানচিত্র জব্দ করা হয়েছে।




