sliderগণমাধ্যমশিরোনাম

উপ-পরিচালকের মন্তব্যের জের; বিএমএসএফ প্রতিনিধি দল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে

পতাকা ডেস্ক: ঢাকা, রবিবার, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা: সৈয়দ আবু আহাম্মদ শাফির ফেসবুক পোস্টের জের ধরে সারাদেশের সাংবাদিকদের মাঝে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হওয়ায় তাদের সাথে দেখা করতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির একটি প্রতিনিধি দল রবিবার দুপুর ১২টায় মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যান। সেখানে গিয়ে তাদের না পাওয়ায় মহাপরিচালকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং উপ-পরিচালকের পিএসের সঙ্গে কথা বলেন। তবে শীঘ্রই সাংবাদিক ফোরামের নেতৃবৃন্দের সাথে সাক্ষাৎ করতে জনসংযোগ কর্মকর্তা জিন্নাহ সময়সূচী জানিয়ে দেবেন।

কিন্তু তারা অধিদপ্তরে উপস্থিত না থাকায় নেতৃবৃন্দ মোবাইল ফোনে উপ-পরিচালক ডা: আহাম্মদ শাফির সাথে কথা বলেন। এ সময় ডা: শাফি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লোকজন হাসপাতাল গুলোর পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে। সাংবাদিকরা যেহেতু তৃণমূল থেকে সারাদেশের হাসপাতাল গুলোর নোংরা চিত্র তুলে ধরছেন তাই এর পরিচ্ছন্নতা উন্নয়নে এক অর্থ বছরের জন্য সাংবাদিকদের তত্ত্বাবধানে ছেড়ে দিতে চাই ; এরকম একটি মতামত আমি ফেসবুকে তুলে ধরেছি। তবে এটির দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং তথ্য মন্ত্রণালয় চুড়ান্ত করতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।

রবিবার বিকেলে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক লায়ন মো: আবুল হোসেন বলেন আমাদের সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতির নেতৃত্বে একটি টিম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে যান এবং সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হয়।

এদিকে দুপুর সাড়ে ১২টায় অধিদপ্তরে এক সংক্ষিপ্ত ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরামের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফ সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেন, আমরা বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। তিনি কেনো কি কারণে এরূপ মন্তব্য করেছেন, এর চুড়ান্ত দেখা হবে।

এ সময় সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা: আহাম্মদ শাফি’র একটি ফেসবুক পোস্টে সারাদেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতা অঙ্গনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

নেতৃবৃন্দ বলেন, দেশের গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের অনেকে ঠাট্টা বিদ্রুপ করে রেহাই পেতে চায়। তবে আমরা এ বিষয়টি গুরুত্বসহকারে দেখছি। যদি কর্তৃপক্ষ আসলেই সাংবাদিকদের ব্যবস্থাপনায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজটি করান তাহলে আমরা হাসপাতাল চকচকে ঝকঝকে পরিষ্কার করে দেখিয়ে দিতে চাই। আর যদি ঠাট্টা বিদ্রুপ করে থাকেন তবে তার ফলাফল ভালো না-ও হতে পারে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button