
জনি আহমেদ, নিয়ামতপুর (নওগাঁ): জিয়াউর রহমান শুধু প্রেসিডেন্ট না, তিনি একটি আদর্শ। বাংলাদেশের যখন ক্লান্তিকাল, ১৯৭৪ সালে ভয়াবহ দুর্ভীক্ষ, সারা দেশে অন্যায় অত্যাচারে ভরপুর, আপনার আমার মেয়েরা, বোনেরা যখন স্কুলে যেতে পারে না, সারা দেশের ঘরে ঘরে চুরি ডাকাতি ছিনতাই হয়, এরকম বাংলাদেশের অরাজক পরিস্থিতি বাংলাদেশে ছিল স্বাধীনতার পরে।
১৯৭৬ সালে সিপাহী জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে বাংলাদেশের দায়িত্বভার গ্রহন করতে হয়েছিল। দায়িত্বভার গ্রহনের সাথে সাথে সারা দেশের শান্তির পরিস্থিতি তৈরী হলো। দায়িত্বভার গ্রহনের পরেই কিভাবে দেশে শান্তি শৃংখলার উন্নতি করা যায়, কিভাবে দেশের উন্নয়ন করা যায় সেই কাজ শুরু করলেন। ৭৪ সালে দুর্ভীক্ষের এই বাংলাদেশে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান দেশের দায়িত্বভার গ্রহনের মাত্র তিন বছরের মাথায় ১৯৭৯ সালে দেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ করে বিদেশে খাদ্য রপ্তানী করতে শুরু করে।
৩০ মে শনিবার বেলা ১১টায় নিয়ামতপুর সরকারী মডেল বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া, মিলাদ ও আলোচনা সভায় নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় উপরোক্ত কথাগুলো বলেন।
উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি ইসাহাক আলীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও হাজিনগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম ভিপি, সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির বাচ্চু, রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক চেয়ারম্যান সাজ্জাদ হোসেন টিটু, উপজেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মোকলেছুর রহমান।
নওগাঁ জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও নিয়ামতপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক জিএম কাউসারুল ইসলাম রতনের উপস্থাপনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নিয়াতমপুর সদর বিএনপির সভাপতি ও উপজেলা বিএনপির আহাবয়ক কমিটির সদস্য আব্দুর রহমান, রসুলপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আফাজ উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটির সদস্য সামাদ সোনার, আইনুর মেম্বর, পাড়ইল ইউপির বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান, উপজেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জুম্মা রশীদ, শ্রীমন্তপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দিয়ানুদ্দিন,উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহাবয়ক শহিদুল ইসলাম, বাহাদুরপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ জাকির হোসেন, দোলন সোনারসহ ৮টি ইউনিয়নের বিএনপি ও সকল অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
পরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।




