
বোয়ালমারী (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর থেকে রবিউল ইসলামের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলা নং ৮। গত শনিবার গভীর রাতে বোয়ালমারী থানায় হত্যা মামলাটি রেকর্ড করা হয়। পূর্বে আদালতে চালান দেওয়া দুই আসামী সহ আটজনকে মামলায় আসামি করা হয়েছে। নিহত রবিউল ইসলামের বাবা গোলাম সারোয়ার বাদি হয়ে মামলাটি করেন।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার (৫ মে) রাত ৮টার দিকে বোয়ালমারী উপজেলার হাটখোলারচর এলাকার গ্রান্ডট্রাংক রোডের পাশ থেকে রবিউল ইসলামের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। রবিউল মাগুরা জেলার মহম্মদপুর উপজেলার সিন্দাইন গ্রামের গোলাম সারোয়ার হোসেনের ছেলে। সিন্দাইন গ্রামের শহিদুল ইসলামের মেয়ে সাদিয়ার বিয়ে হয় বোয়ালমারী উপজেলার ময়না ইউনিয়নের হাটখোরচর গ্রামের হানিফ শেখের ছেলে শহিদ শেখের সাথে। শহিদ শেখ শ্বশুর বাড়ি থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসে। সেই মোটরসাইকেল নেওয়ার জন্য শহিদুল ইসলাম রবিউল ইসলামকে সাথে নিয়ে গত মঙ্গলবার হাটখোলারচর গ্রামে আসে। দীর্ঘ সময় সালিশ বৈঠকে মিমাংসা না হলে মোটরসাইকেল না নিয়ে শহিদুল ইসলাম ও রবিউল ফিরে যান। কিছুক্ষণ পর শহিদ শেখ ফোন করে শ্বশুরকে আসতে বলেন। তারা ফিরে এলে শহিদুল ইসলাম বসিয়ে রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করে প্রথমে ঘরে রাখে। পরে একটি প্রাইভেট কার এনে রাস্তার পাশে খাদে লাশ ও গাড়ি ফেলে দিয়ে দুর্ঘটনা বলে প্রচার করে।
সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ ৪ জনকে আটক করে। তাদের মধ্য থেকে বোয়ালমারী পৌর সদরের তপু সাহা ও শাহজাদাদকে আদালতে চালান করে পুলিশ। হত্যা মামলায় তাদেরকে আসামি করা হয়েছে। সিন্দাইন গ্রামের শহিদুল ইসলাম মামলার ৩ নং স্বাক্ষী।
বোয়ালমারী থানার অফিসার ইনচার্জ মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, হত্যা মামলা হয়েছে তদন্ত করে দেখি।



