
পতাকা ডেস্ক: আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেছেন, ক্ষমতায় যাওয়ার আগে যারা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি দেন কিন্তু ক্ষমতায় বসার পর স্বৈরতন্ত্র ও নিরঙ্কুশ কর্তৃত্ব ছাড়া রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন না,বিএনপি সেই পথেই এগোচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।
রোববার (৩ মে) বিকেলে রাজধানীর কাকরাইল ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে অনুষ্ঠিত এনসিপি’র জ্বালানি, অর্থনীতি, সংস্কার ও গণভোট বিষয়ক জাতীয় কনভেনশনের সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি এ আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।
এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব-এর সঞ্চালনায় এবং আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ কনভেনশনে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামনুল হক।
মঞ্জু বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সংকট যদি আরও প্রকট হয়, তাহলে বিএনপি ২-৩ বছরের মধ্যেই জনসমর্থন হারাবে। তিনি আডলফ হিটলার-এর উদাহরণ টেনে বলেন, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত শাসকগোষ্ঠী যখন জনসমর্থন হারায়, তখন তারা ক্রমশ স্বৈরাচারী হয়ে ওঠে।
তিনি আরও বলেন, সুশাসন নিশ্চিত করতে ব্যর্থতা, চাঁদাবাজি, দলীয়করণ এবং শিক্ষা ক্যাম্পাসে সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে অক্ষমতার কারণে বর্তমান সরকার দ্রুত জনপ্রিয়তা হারাতে পারে।
মঞ্জু উল্লেখ করেন, ১৯৯০-এর গণঅভ্যুত্থানের পর তিন জোটের রূপরেখার মূল তিনটি বিষয় ছিল,নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে তুলনামূলকভাবে ভালো নির্বাচন হলেও বিচার বিভাগ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি পরবর্তী সরকারগুলো রক্ষা করেনি। বরং নির্বাচন ব্যবস্থাকেও পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে, যা গণতন্ত্রকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ঠেলে দিয়েছে।



