sliderস্থানিয়

শিবগঞ্জে নির্মানাধীন বাড়িতে হামলা,প্রতিকার চেয়ে থানায় অভিযোগ

শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) সংবাদদাতা: শিবগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত পৃর্ব শত্রুতার জের ধরে এক বৃদ্ধার নির্মানাধীন বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন জমি নিয়ে আদালতে মামলা চলমান থাকায় বাড়ি নির্মান করতে মৌখিক ভাবে নিষেধ করা হয়েছে। ঘটনাটি শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের পারূিলালপুর গ্রামে। ঘটনায় প্রায় ৭ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দাবি করে শিবগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী মোসা.তাজকেরা বেগম (৫৮)।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পারদিলালপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী তাজকেরা বেগম তাঁর পৈতৃক জমিতে ঘর নির্মাণকাজ চালিয়ে আসছিলেন। এ নিয়ে বিরোধের জেরে গত ৩ মার্চ রাত আনুমানিক ১১টার দিকে একই এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে মো.শামসুল হক (৬২) ও মো.আবু তাহের (৩৫) ১৫/১৬ জনের একটি দল হামলা চালায়।
হামলাকারীরা ঘটনাস্থলে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে এবং নির্মাণাধীন বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। তিনি দাবি করেন, বাড়ি নির্মাণের জন্য রাখা ২০০ বস্তা সিমেন্ট, যার আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, হামলাকারীরা লুট করে নিয়ে যায়।

এছাড়া ৪ মার্চ সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে অভিযুক্তরা পুনরায় ধারালো অস্ত্র নিয়ে মধ্য উমরপুর মৌজায় তাজকেরা বেগমের পৈতৃক বাগানে প্রবেশ করে ১৪টি ফলন্ত আমগাছ কেটে ফেলে। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
ভুক্তভোগী তাজকেরা বেগম বলেন, “তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।

এ বিষয়ে তাজকেরা বেগমের ভাই একরামুল হক, রাজমিস্ত্রি মিলন, পুত্রবধূ শারমিন বেগম ও ভাবি আকলিমা এবং স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, রাত ১১টার দিকে ১৫/১৬ জন ব্যক্তি ককটেল ফাটিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।

অন্যদিকে, মামলার বিবাদী মো.শামসুল হক অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “তাজকেরা বেগমের অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। জমি নিয়ে পূর্ব থেকেই আদালতে মামলা চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় শুধু মৌখিক ভাবে নিষেধ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ুন কবির বলেন, লিখিত অভিযোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button