পতাকা ডেস্ক: বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ/মূলাদী) আসনে ১১ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের মাধবপাশা ইউনিয়ন নির্বাচনী কার্যালয়ে বিএনপির বাবুগঞ্জ উপজেলা আহ্বায়ক সুলতান চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, ক্ষোভ ও কঠোর প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট, ভোটারদের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করার সুস্পষ্ট অপচেষ্টা। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর নির্বাচনী কার্যালয়ে প্রকাশ্যে হামলা চালানো সন্ত্রাসী মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ এবং আইনের শাসন ও গণতন্ত্রের প্রতি চরম অবজ্ঞা।
তিনি আরও বলেন, যারা রাজনৈতিক প্রতিযোগিতায় জনগণের রায় মোকাবিলা করতে ব্যর্থ, তারাই সহিংসতা ও সন্ত্রাসের পথ বেছে নেয়। এই কাপুরুষোচিত হামলার মাধ্যমে প্রমাণ হয়েছে,কিছু গোষ্ঠী নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু হতে দিতে চায় না। কিন্তু সন্ত্রাস দিয়ে জনগণের ইচ্ছা দমন করা যাবে না।
মজিবুর রহমান মঞ্জু অবিলম্বে হামলাকারীদের নাম-পরিচয়সহ চিহ্নিত করে গ্রেপ্তার এবং দ্রুত বিচারের আওতায় আনার জোর দাবি জানান। তিনি প্রশাসনের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, যদি দোষীদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তবে জনগণ তা নীরব সমর্থন হিসেবে বিবেচনা করবে। প্রশাসনকে প্রমাণ করতে হবে তারা নিরপেক্ষ ও আইনের পক্ষে।
তিনি বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে যারা সহিংসতার আশ্রয় নিচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা না গেলে ভবিষ্যতে আরও নৈরাজ্য সৃষ্টি হতে পারে। তাই অবিলম্বে নিরাপত্তা জোরদার, দোষীদের গ্রেপ্তার এবং ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, সন্ত্রাস ও সহিংসতার মাধ্যমে জনগণের রায় ছিনিয়ে নেওয়ার যে অপচেষ্টা চলছে, তা ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। বরিশাল-৩ আসনে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কঠোর ও নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতেই হবে।
সন্ত্রাসের রাজনীতি নয়,গণতন্ত্রের রাজনীতিই হবে চূড়ান্ত বিজয়ী।




