
নিজস্ব প্রতিবেদক : মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো.মামুন বাবরের বিরুদ্ধে খেয়াল খুশি মত অফিস করার অভিযোগ ওঠেছে । ৯ টায় অফিস টাইম শুরু হলেও তিনি আসেন দুপুর ১ টার পর। এতে দলিল লেখক, দাতা,গ্রহীতারা পড়ছেন চরম ভোগান্তিতে। সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১ টার দিকে সাব-রেজিস্ট্রারকে অফিসে গিয়ে দেখা যায়নি।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায়,সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ৯টা থেকে ৫ পর্যন্ত সপ্তাহে ৫ দিন অফিস করার কথা থাকলেও তিনি তার খেয়ালখুশি মত অফিসে আসেন । এ ছাড়াও তিনি মাঝে মধ্যে ছুটিতে থাকেন। এ অফিসে প্রতিদিন বায়না দলিল, হেবা,পাওয়ার,সাফকবলাসহ প্রায় শতাধিক দলিল সম্পাদন হয়ে থাকে। কিন্তু সাব-রেজিস্ট্রার সঠিক সময়ে অফিসে না আসায় চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন এলাকার দাতা,গ্রহীতারা । তাই প্রতিকার চেয়েছেন স্থানীয় দলিল লেখক, দাতা, গ্রহীতারা।
সরেজমিনে সোমবার দুপুর সোয়া ১ টার মধ্যে সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে অন্যান্য কর্মকর্তা থাকলেও তাকে তার রুম ও এজলাস দেখা যায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক দলিল লেখক জানান, আমরা প্রতিদিন নিয়মিত অফিসে আসলেও সাব-রেজিস্ট্রার সঠিক সময়ে না আসায় ও খেয়ালখুশি মত অফিস করায় আমাদের দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে । সেইসাথে দুপুরের পরে এজলাসে ওঠে তড়িঘড়ি করে দলিল সম্পাদন করতে গিয়ে দাতা-গ্রহিতাদের সাথে অসদাচরণ করেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
ভুক্তভোগী দলিল গ্রহীতা মোয়াজ্জেম হোসেন ও গঙ্গারানীসহ নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক দলিল দাতা ও গ্রহীতারা জানান, আমরা অনেক দূর থেকে দলিল করতে এসে ঘন্টার পর ঘন্টা বসে রয়েছি সাব-রেজিস্ট্রারের অপেক্ষায়। সঠিক সময়ে সাব-রেজিস্ট্রার না আসায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। সরকারি গুরুত্বপূর্ণ এ অফিসটি সাব রেজিস্ট্রারের খেয়াল খুশি মত চলায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সেবা গ্রহীতদের। নিয়মতান্ত্রিক ভাবে অফিস করাসহ দ্রুত এর প্রতিকার চান ভুক্তভোগীরা।
এ ব্যাপারে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো.মামুন বাবর সেবা গ্রহীতাদের সাথে অসাদাচারণের কথা অস্বীকার করে বলেন,সাধারনত দলিল লেখকরা ১১ টার পরে পে অর্ডার করেন এজন্য আমি দেরিতে আসি। অনেক সময় অফিস টাইমের শেষেও আধা ঘন্টা এক ঘন্টা পর্যন্ত কাজ করতে হয় বলেও তিনি জানান।




