sliderশিরোনামশ্রমিক

রানা প্লাজা ট্রাজেডির এক যুগ : নিহত শ্রমিক ভাই-বোনদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন

আজ ২৪ এপ্রিল ২০২৫, রানা প্লাজা দুর্ঘটনার এক যুগ পূর্তি উপলক্ষে সাভারের বাজার এলাকায় আটটি গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের যৌথ উদ্যোগে মিছিল ও স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। শহীদ শ্রমিকদের স্মরণে শ্রমিক নেতৃবৃন্দ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।

অংশগ্রহণকারী ফেডারেশনসমূহ:
রেডিমেড গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন,সম্মিলিত শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল লেবার ফেডারেশন, মুক্ত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন, বাংলাদেশী গার্মেন্টস ট্রেড ইউনিয়ন ফেডারেশন, বাংলাদেশ গার্মেন্টস টেক্সটাইল ওয়ার্কার্স ফেডারেশন, বাংলাদেশ জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন, আলোকিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন।

সমাবেশে বক্তব্য রাখেন: লাভলী ইয়াসমীন, নাহিদুল হাসান নয়ন, মরিয়ম আক্তার, রানী খান, আব্দুল্লাহ বাছির, মোঃ মোর্শেদ আলম, মোহাম্মদ রফিক মন্ডল, বাপ্পি দেব বর্মন ও অন্যান্য শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন বাহারানে সুলতান বাহার।

নেতৃবৃন্দ বলেন ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে ১,১৩৫ জন শ্রমিক নিহত এবং ২,৫০০-এর অধিক আহত হন- যা বিশ্ব ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ শিল্প দুর্ঘটনা। এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত সোহেল রানা বহুবার বিচার এড়ানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু এখনও ভিকটিমদের ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসনের সংগ্রাম অব্যাহত রয়েছে।
২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সোহেল রানাকে জামিন প্রদান ছিল ভুক্তভোগীদের প্রতি চরম অবহেলা এবং শ্রমিকদের অধিকারকে অগ্রাহ্য করার একটি উদাহরণ। নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানান, উচ্চ আদালতের বিচার প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে সোহেল রানাসহ বাকি ৪০ জন অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

এছাড়াও অবিলম্বে ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ পরিকল্পনা গ্রহণ, মানসম্মত চিকিৎসা ও যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদানের আহ্বান জানান তারা।

চার দফা দাবি:
১. আইএলও কনভেনশন ১২১ অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ প্রদান কর।
২. আহত শ্রমিকদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত কর।
৩. রানা প্লাজার জমিতে শ্রমিকদের জন্য হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্র নির্মাণ কর।
৪. সোহেল রানাসহ ৪০ অভিযুক্তের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত কর।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button