বার্মিংহামে হেরে গেল পাকিস্তান

সিরিজে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ ছিল, সুযোগ ছিল সিরিজে সমতা ধরে রাখারও। কিন্তু কোনটাই করতে পারলো না মিসবাহ উল হকের পাকিস্তান। ১৪১ রানে ম্যাচ জিতে সিরিজে এগিয়ে গেল স্বাগতিক ইংল্যান্ড। আর প্রথম ইনিংসে ১০৩ রানের লিড নিয়েও ম্যাচ হারলো আনপ্রেডিক্টেবলরা।
বার্মিংহামে সিরিজের তৃতীয় টেস্টের শেষ দিনে রোববার পাকিস্তানের সামনে লক্ষ ছিল ৩৪৩ রানের। দিনের খেলা বাকি ছিল ৮৪ ওভার। কিন্তু ব্যাটসম্যানদের ব্যাটিং ব্যর্থতায় দিনের খেলা ১৩ ওভার বাকি থাকতেই ২০১ রানে অল আউট হয় সফরকারীরা।
অথচ দিনের শুরুটা পাকিস্তানের অনুকূলেই ছিল। সকালে ৬ উইকেটে ৪৪৫ রান করে ইনিংস ঘোষণা করে ইংল্যান্ড। জয়ের লক্ষে খেলতে নেমে লাঞ্চ বিরতির সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিল ৬৯. জয় কিংবা ড্রই তখন ছিল ম্যাচের সম্ভাব্য ভাগ্য। কিন্তু লাঞ্চের পরই পাল্টে যায় ম্যাচের চেহারা। হঠাৎ করেই জয়ের লক্ষ ছেড়ে ড্রয়ের আশায় খেলতে শুরু করে পাকিস্তান। ওভার প্রতি রান রেট নেমে আসে ২ এর কাছাকাছি।
আর এই রক্ষণাত্মক কৌশলই বিপদ ডেকে আনে তাদের। মাত্র ১ রানের মধ্যে পাকিস্তান হারায় ৪ উইকেট। দলের স্কোর ১২৪ থেকে ১২৫ রানে যেতে মিসবাহ, আসাদ শফিক, সরফরাজ ও সামী ইসলাম ফিরে যান সাজঘরে। আর এতেই লেখা হয়ে যায় ম্যাচের ভাগ্য। শেষ উইকেট জুটিতে রাহত আলী ও সোহেল খানের অর্ধশত রানের পার্টনারশিপ ইংল্যান্ডের জয়কে বিলম্বিতই করেছে শুধু।
দলের পক্ষে ্ওপেনার সামী ইসলামের ৭০ ছিল ইনিংসের সর্বোচ্চ। চতুর্থ ইনিংসের স্পেশালিস্ট হিসেবে খ্যাত ইউনিস খান যথারীতি আবারো ব্যর্থ হয়েছেন(৪). অথচ টেস্টের চতুর্থ ইনিংসে তার গড় বিশ্বে সর্বোচ্চ(৫৯), তবে এই সিরিজে থেকেছেন পুরোপুরি নিজের ছায়া হয়ে।
ইংলিশ বোলাদের পারফরম্যান্স ছিল ‘পাঁচে মিলি করি কাজ’. জেমস অ্যান্ডারসন, স্টুয়ার্ড ব্রড, ক্রিস ওকস, স্টিভেন ফিন ও মইন আলী প্রত্যেকে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।
স্কোর: ইংল্যান্ড ২৯৭ ও ৪৪৫/৬ ডি.
পাকিস্তান ৪০০ ও ২০১
ম্যান অব দ্যা ম্যাচ মইন আলী(ইংল্যান্ড).সিরিজ ২-১
সুত্র: নয়া দিগন্ত




