খেলাশিরোনাম

উৎসবের অপেক্ষায় রিও

আর মাত্র একদিন। এরপরই অলিম্পিক উৎসবে মাতবে ব্রাজিলের রাজধানী রিও ডি জেনিরো। ব্রাজিলে শুক্রবার রাত ৮টায় পর্দা উঠবে অলিম্পিক গেমসের।
চার বছর পর আবারো ‘গ্রেটেস্ট শো অন দি আর্থ’ গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস কড়া নাড়ছে দুয়ারে। জাঁকালো উদ্বোধনের অপেক্ষায় রিও অলিম্পিক। ঐতিহাসিক মারাকানা স্টেডিয়ামে পর্দা উঠবে রিও অলিম্পিক গেমসের। ব্রাজিল আগেই ঘোষণা দিয়েছে, ২০১২ লন্ডন অলিম্পিককে ছাড়িয়ে যাবে তারা। জমকালো আয়োজনের সব প্রস্তুতি এরই মধ্যে শেষ করে এনেছে দেশটি।
এবারের অলিম্পিকে ২০৬টি দেশের ১১ হাজারের বেশি ক্রিড়াবীদ ২৮টি ক্রীড়া ইভেন্টে ৩০৬টি পদকের জন্য লড়াই করবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার অনুষ্ঠান শুরু হলেও বাংলাদেশ সময় তা গড়াবে শনিবার ভোর ৫টায়। সরাসরি সম্প্রচার করবে স্টার্স স্পোর্টস ১, ২, ৩।
দেশীয় সংস্কৃতির পাশাপাশি নয়নাভিরাম সব পরিবেশনা থাকছে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে। ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী সাম্বা নৃত্যর সঙ্গে থাকছে বিশেষ চমক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখতে মারাকানায় হাজির থাকবেন প্রায় ৭৮ হাজার দর্শক। টিভিতে বিশ্বের প্রায় তিন বিলিয়ন মানুষ দেখবে অলিম্পিক গেমসের নয়নাভিরাম উদ্বোধন।
‍শুরুতেই থাকবে পতাকা নিয়ে অ্যাথলেটদের মার্চপাস্ট। এরপর পর্যায়ক্রমে নানা শো। সব শেষে থাকবে বর্ণীল আতশবাজি। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান পরিচালনা করবেন সিটি অব গড বিখ্যাত চলচিত্রের পরিচালক ফার্নান্দো মেয়ারলেস। তার সঙ্গে থাকবেন আন্দ্রুচা ওয়াশিংটন ও ড্যানিয়েলা থমাস।
মজার ইভেন্টে গান করবেন সাম্বা সিঙ্গার এলজা সোয়ারেস। যার আরও একটা পরিচয় আছে। যিনি ব্রাজিলের সাবেক কিংবদন্তী ফুটবলার গারিঞ্চার স্ত্রী। তার সঙ্গে থাকবে ১২ বছর বয়সী এমসি সোফিয়া। যে কিনা কথা বলবেন বর্ণবাদের বিরুদ্ধে। এরপর একে একে মঞ্চ মাতাবেন ক্যারল কনকা, লুডমিলা, গিলবার্তো গিল, কায়েটানো ভ্যালোসো। সুরের মায়াজালে দর্শকদের মোহিত করতে থাকছেন ব্রাজিলের বিখ্যাত সব সঙ্গীতশিল্পী।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, উদ্বোধনী আয়োজনে ব্রাজিলের ঐতিহ্যবাহী বৈচিত্রপূর্ণ সাংস্কৃতিক পরিবেশনাই অধিক গুরুত্ব পাবে। সহস্রাধিক অ্যাথলেট জাতীয় পতাকা হাতে প্যারেড করবেন। লাইট এন্ড সাউন্ড শো এর মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে ব্রাজিলে পর্তুগীজ উপনিবেশের ইতিহাস।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button