পতাকা ডেস্ক: পদ্মার ভাঙনে দৌলতদিয়ার তিনটি ফেরিঘাটসহ আশপাশ এলাকার কয়েকটি গ্রামের প্রায় শতাধিক বসতবাড়ী বিলীন হয়েছে। দৌলতদিয়া পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় তিনটি ইউনিয়নের সাতটি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ প্রায় পাঁচ শতাধিক বাড়ি ও কাচাপাকা সড়ক প্লাবিত হয়েছে।
উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, দৌলতদিয়া পয়েন্ট পদ্মা নদীর পানি বৃহস্পতিবার থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ সেঃমিঃ পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৭৫ সেঃমিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ তারিখ থেকে এ পয়েন্টের পানি বিপদ সীমা অতিক্রম করে। দৌলতদিয়ার পাশবর্তী বন্যা কবলিত তিনটি ইউনিয়নের শত শত পরিবার ঘরবাড়ী গৃহ পালিত পশুপাখি নিয়ে উচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে। বন্যা কবলিতদের মাঝে এখনও ত্রাণ সাহায্য পৌঁছেনি।
সরেজমিনে দেখা গেছে পদ্মনদীর প্রবল স্রোতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটের তিনটি ফেরিঘাট ভাঙনে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। পনের দিন যাবত এ ঘাট ভাঙনের কবলে পরেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দেখা যায়, এ রুটের চারটি ঘাটের শুধু ১নং ফেরিঘাটটি পুরাপুরি সচল রয়েছে। বাকি তিনটি ঘাটের ২নং ঘাটটি আংশিক সচল থাকলেও ৩নং ও ৪নং ঘাট দুটি সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে। দৌলতদিয়া ঘাট সংলগ্ন এলাকার সিদ্দিক কাজী পাড়া ও ছাত্তার মেম্বর পাড়া এলাকাসহ আশপাশ এলাকার প্রায় শতাধিক বসতবাইড়র ভিটে মাটি নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। এসব এলাকার মানুষ ঘরবাড়ি ভেঙ্গে মহাসড়কের পাশে স্তুপ করে রেখেছে।




