sliderরাজনীতিশিরোনাম

মজিবুর রহমান মঞ্জুকে রিমান্ডে নেয়ার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে এবি পার্টি

ডেস্ক রিপোর্ট: আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি’র সদস্যসচিব মজিবুর রহমান মঞ্জুকে বিনা কারণে বেআইনী ভাবে আটক করে ৫ দিনের রিমান্ডে নিয়ে হয়রানি করার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ পার্টি-এবি পার্টি। গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এবি পার্টির আহবায়ক এএফএম সোলায়মান চৌধুরী ও ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, ২৯ জুলাই ২০২৪ সোমবার রাত ১২.৩০টার দিক সাদা পোশাকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায়। তার পরিবার ৩০ তারিখ সারাদিন পুলিশের বিভিন্ন থানা ও ডিবি অফিসে ধরনা দিলেও তারা মঞ্জুকে আটকের বিষয় অস্বীকার করে। আজ ৩১ জুলাই বুধবার মজিবুর রহমান মঞ্জুকে ছাত্র আন্দোলনের ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় দায়েরকৃত মিথ্যা মামলায় আটক দেখিয়ে ৫ দিনের হয়রানি মূলক রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, যা সুস্পষ্ট মৌলিক মানবাধিকারের লঙ্ঘন। তারা বলেন, মঞ্জুর মতো হাজার হাজার বিরোধীদলীয় রাজনৈতিক কর্মী, ছাত্র বিক্ষোভকারীকে কোনো অভিযোগ বা গ্রেফতারী পরোয়ানা ছাড়াই রাতের বেলা তাদের বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হচ্ছে। গত সপ্তাহে এবি পার্টির আরও দুই নেতা এবিএম খালিদ হাসান ও আইনুল হককে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। ছাত্র আন্দোলন দমনে চালানো গণহত্যা ধামাচাপা দিতে পুলিশ তাদেরকে কয়েকদিন আটকে রাখার পর এবং হেফাজতে থাকাকালীন ক্রমাগত নির্যাতনের পর, ২০২৪ সালের ১৫ই জুলাই থেকে করা বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। স্বল্প সময়ে সরকারের গণগ্রেফতারের সংখ্যা অন্য যেকোন নৃশংসতার রেকর্ডকে ছাড়িয়ে গেছে।
প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক অধিকার প্রয়োগ করার কারণে কোটাবিরোধী আন্দোলনের ছয়জন কো-অর্ডিনেটরকে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা ধরে নিয়ে গেছে, তাদের মধ্যে তিনজনকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতাল থেকে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে যারা গত সপ্তাহে মাত্র পুলিশি নির্যাতনের শিকার হয়েছিল; দেশজুড়ে অনেক শীর্ষ সংগঠক আত্মগোপনে রয়েছেন।
এবি পার্টি অবিলম্বে হয়রানি ও গ্রেপ্তার বন্ধ সহ তাদের নিজ নিজ পরিবারের সদস্যদের কাছে মুক্তি দিতে আহ্বান জানিয়েছে।

এবি পার্টি প্রশাসনের পুলিশ, সামরিক এবং আধা-সামরিক বাহিনীর যৌথ আক্রমনে যারা খুন হয়েছে তাদের মৃত্যুর সংখ্যা, কারণ, অপরাধীদের চিহ্নিতকরন এবং আহতের সংখ্যা সম্পূর্ণ তালিকা করার জন্য একটি স্বাধীন কমিশন গঠন করার আহ্বান জানাচ্ছে।
গত দুই সপ্তাহের গণহত্যার ব্যাপারে শাসকদের অনুগতদের কাছ থেকে এখনও কোনো অনুশোচনা দেখতে পায়নি এবি পার্টি, তাদের মায়া কান্না শুধু স্থাপনা ধ্বংস নিয়ে। তাই, এবি পার্টি অবিলম্বে সরকারকে পদত্যাগ করে অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করার আহ্বান জানাচ্ছে এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের আহ্বান জানাচ্ছে যাতে জাতি গণতান্ত্রিক পশ্চাদপসরণ এবং অর্থনৈতিক পতন থেকে দেশ ও জাতি রক্ষা পায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button