
সিনিয়রদের র্যাগিংয়ের শিকার হয়ে টানা ৪০ দিন ধরে হাসপাতালের বিছানায় শুইয়ে মৃত্যুর সাথে লড়াই করছে এক দলিত ছাত্রী। কলেজেরই সিনিয়র দুই ছাত্রী জোর করে তাকে শৌচাগার পরিষ্কারে ব্যবহার করা ফিনাইল খাইয়ে দেয়। এতে তার ভিতরটা পুড়ে দলা পাকিয়ে গিয়েছে। খাদ্যনালীকে আলাদা করে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
ঘটনা ভারতের কর্নাটকের আল কামার নার্সিং কলেজের। এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছাত্রী লক্ষ্মী এবং আথিরার বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। নির্যাতিতা ওই ছাত্রী এবং অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই কেরলের বাসিন্দা।
তবে কলেজের মধ্যে এই ঘটনা ঘটেছে মানতে নারাজ খোদ প্রিন্সিপাল। তার মতে, র্যাগিং নয়, পারিবারিক সমস্যা থেকেই ওই ছাত্রী ফিনাইল খেয়েছে।
ছাত্রী এবং তার পরিবারের কাছে থেকে ঘটনার বিবরণ জেনে বিশেষ দল গঠন করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। অভিযোগ প্রমাণ হলে অভিযুক্তদের কোনোভাবেই ছাড় দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন কেরল পুলিশের এক কর্মকর্তা। নজরদারির গাফিলতির জন্য কলেজের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, ওই নার্সিং কলেজে র্যাগিংয়ের এই ঘটনা নতুন নয়। এর আগেও একাধিক বার র্যাগিংয়ের ঘটনা ঘটেছে। আর এ বারের মতো প্রতিবারেই তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়েছে।



