লক্ষ্মীপুর মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ অভিভাবকদের

দাউদকান্দি (কুমিল্লা) সংবাদদাতাঃ দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজার সংলগ্ন লক্ষ্মীপুর মিজান ভিলার ফুরকানুল আজিম মাদরাসার নাজেরা বিভাগের ছাত্র ছিফাত মিয়াজি (১০)’র মৃত্যু ঘটনায় সন্দেহ ঘনীভুত হচ্ছে। অভিভাবকদের দাবি ছিফাতকে মাথায় আঘাতের কারণে মৃত্যু হয়েছে, শিক্ষকদের দাবি ছিফাত চারতলার ছাঁদ থেকে নামতে গিয়ে পরে আহত হয়েছে। গত ১৪ জুলাই রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ছিফাত মৃত্যু বরন করলে ১৫ জুলাই ময়না তদন্তের পর শাহবাগ থানার পরামর্শে লাশ হস্তান্তর করে মেডিকেল কর্তৃপক্ষ। ওই দিন রাতে নিজ গ্রাম চশই পারিবারিক কবরস্থান তাঁকে দাফন করা হয়। ছিফাতের মামা আতাউর রহমান দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি অভিযোগ পেশ করেছে বলে জানান তাঁর বাবা রনি মিয়াজি। তবে থানা সূত্রে জানা গেছে এই ঘটনায় ইউডি মামলা হয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যু রহস্য জানা যাবে। মাদরাসার মুহতামিম হাফেজ মাওলানা নুর উদ্দিন জানান, গত ১৩ জুলাই বৃহস্পতিবার বিকেলে ভবনের চারতলার ছাঁদের স্যানেটারী পাইপ বেয়ে নেমে পালানোর সময় হাত ফসকে পরে গিয়ে আহত হয়েছে শুনেছি, আমি ওই সময় মাদরাসায় ছিলাম না। খবর পেয়ে ছিফাতকে হাসপাতালে নিতে ক্লাস টিচার রায়হানকে ফোন করি। এদিকে ছিফাতের বাবা রনি মিয়াজি বলেন, তাঁর সন্তানের মাথায় আঘাত করেছে শিক্ষকদের মধ্যথেকে এবং পরিকল্পিত ভাবে ছাঁদ থেকে পরে আহতের কথা বলা হচ্ছে। এমনকি চিকিৎসা ক্ষেত্রেও শিক্ষকরা তার সন্তানকে হাসপাতালে নেয়নি, বাইরের লোকজন দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গৌরীপুর নিয়ে গেলে ডাক্তার প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করে। ঘটনার পর ক্লাস টিচার হাফেজ মোঃ রায়হানকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। সঠিক তদন্ত এবং ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন তিনি। ১৮ জুলাই মঙ্গলবার মাদরাসায় খোঁজ নিতে গিয়ে মুহতামিমকে না পাওয়া গেলেও ক্লাস টিচার রায়হানকে পাওয়া যায়, ঘটনার বিষয়ে তিনি মুহতামিমের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।ঘটনার পর তিনি মাদরাসায় অনুপস্থিত এবং হাসপাতালের বিষয়ে বলেন, এমন ঘটনায় তিনি হতবাক হয়ে ভয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরে ছিলেন। পরে মুহতামিমকে না বলেই বাড়ি চলে গেছেন। তাঁর অভিভাবকদের পরামর্শে আবার মাদরাসায় ফিরে এসেছেন। উল্লেখ্য ছিফাত গত ৯ জুলাই ফুরকানুল আজিম মাদরাসায় ভর্তি হয়েছিল।




