slider

শরীর ও মনের সমন্বয় হলেই মানুষ তার নিজের মধ্য থেকে সেরা কাজটা বের করে আনতে পারে

রংপুর ব্যুরোঃ শরীর এবং মনের সমন্বয় হলেই মানুষ তার নিজের মধ্য থেকে সেরা কাজটা বের করে আনতে পারে জানিয়েছে মাইন্ড ট্রেনার সাবিত রায়হান। হতাশা ও হীনমন্যতায় থেকে নিজের জীবনকে শেষ করে দেওয়া বা আত্মহত্যার পথ বেচে নেওয়া কোনো সঠিক সিদ্ধান্ত নয়। সুন্দর জীবনকে সুন্দর করে উপভোগ করতে সুন্দর চিন্তা-ভাবনার মন-মানসিকতা নিজের মধ্যে জাগ্রত করে সফলতার সিড়ি বেয়ে লক্ষে পৌঁছতে বাঁচতে হবে।

আজ শুক্রবার রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে প্রাকটিক্যাল মাইন্ড ট্রেইনিং শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। সাফল্যের জন্য ‌‘আপনার মস্তিষ্ককে প্রশিক্ষণ দিন’ অনুষ্ঠানটির আয়োজক ছিল ফিট লাইফ ও সাবিত ইন্টারন্যাশনাল।

সাবিত রায়হান বলেন, শরীর আর মন একই সাথে কাজ করে। এই দুটোর সমন্বয় হলেই মানুষ নিজের মধ্য থেকে সেরা কাজটা বের করে আনতে পারে। একদিন একজন পেশাদার মানুষ সফল হবেন আরেকদিন যাবে এভারেজ। এটা দিয়ে আমার কাজের পুরোপুরি মূল্যায়নটা হবে না। এটা শুধু খেলার মাঠে কিংবা চাকরি জীবনে বা ব্যবসায় প্রভাব ফেলে তা নয়, এটা একটা মানুষকে ভাবতে সহায়তা করে।

এই বিশেষজ্ঞ জানান, অনেক সময়ই দেখা যায় আমরা স্থির থাকতে পারি না কোনও একটা বিষয়ে চিন্তা করতে গিয়ে। এই চিন্তার অস্থিরতা দক্ষতা আর কার্যকারিতার মধ্যে একটা দূরত্ব তৈরি করে। এই দূরত্ব মেটানোই তার কাজ। বাংলাদেশের বাস্তবতায় মাইন্ড ট্রেনিংয়ের মত একটা কঠিন বিষয় নিয়ে কাজ করছে তার প্রতিষ্ঠান সাবিত ইন্টারন্যাশনাল।

তিনি বলেন, মনের জোরে অসাধ্য সাধনও সম্ভব। কিন্তু এই মনকেই অগ্রাহ্য করা হয় সবচেয়ে বেশি। উন্নত দেশগুলোতে মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে যতটা খোলামেলা কথা বলা যায় তার ছিটেফোঁটাও দেখা যায়না আমাদের সংস্কৃতিতে। বিশ্বে প্রায় ২০০ কোটির বেশি মানুষ মানসিক স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় ভুগছে।

যে জায়গাগুলোতে মানুষ সমস্যায় ভুগছে সেসব জায়গা থেকে বের করে আনা, সাহায্য করাই সাবিত রায়হানের কাজ। দেশ বিদেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে বিভিন্ন পেশার মানুষ নিয়মিত তার মাইন্ড সেশন থেকে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন। হতাশা ও হীনমন্যতায় ভুগতে থাকা ক্রিকেটার, ডাক্তার, ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী ও তরুণ সমাজসহ বিভিন্ন পেশার মানুষের মাইন্ড ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে শরীর ও মনের সমন্বয় সাধনের মধ্যদিয়ে সাফল্যের সর্বোচ্চ লক্ষে পৌঁছানো সম্ভব বলে মনে করেন সাবিত রায়হান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রংপুর জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোছাদ্দেক হোসেন বাবলু। বিশেষ অতিথি রংপুর জেলা পুলিশ সুপার ফেরদৌস আলী চৌধুরী, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের প্রধান মাজেদুল হক, রংপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের চেয়ারম্যান ও রংপুর চেম্বারের পরিচালক আ.আ.ম. আল-আমিন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button