বরুড়ায় তথ্য সংগ্রহে গেলে সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

বিশেষ প্রতিনিধিঃ কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আদ্রা ইউনিয়ন একবাড়ীয়া হয়ে ভাউসার যাওয়ার রোডে গত ০৩/০২/২৩ শুক্রবার মেইন রোডের পাশে কাকৈর তালা সিমা কামালের বাড়ির সামনে সরকারি গাছ কাটাতে দেখে, এই বিষয়ে সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া (বাবুল) তথ্য জানতে যায়।
বাড়ির মালিক সিমা কামালকে না পেয়ে, সিমা কামালের চাচাতো ভাই বলেন, আমাদেরকে ১৩নং আদ্রা ইউনিয়নের মহিলা মেম্বার আয়েশা বলেছেন গাছ গুলো কেটে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
ততক্ষণে সাংবাদিক মহিবুল্লাহ ভূঁইয়া বাবুল আয়েশা মেম্বারকে মুঠো ফোনে বিষয়টি অবগত করেন, আয়শা মেম্বার বলেন আপনি থাকেন আমি আসছি, আমি এসে আপনার সাথে সরাসরি কথা বলবো,
এই সুবাদে সিমা কামালের চাচাতো ভাই, বাড়ি থেকে গাছ কাটার অনুমতির কাগজ নিয়ে দেখান, বন বিভাগের কর্মকর্তার অনুমতি পত্র ও বরুড়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার স্বাক্ষরিত কাগজ, যার মুল্য ধরা হয়ে মোট-২৫,৬৮০ টাকা ।
আয়েশা মেম্বারের আসতে বিলম্ব হওয়া ডকুমেন্টস গুলোর ছবি সহ গাছ কাটা স্থানের ছবি তুলে আসার পথে, আয়েশা মেম্বার বলেন আমি এসেগেছি আপনার সাথে কথা আছে এবং চা খাবো কথা বলব।
এইবলে আটো রিকশা থেকে নেমে বলেন চলে আমরা সিমা কামালের বাড়িতে বসবো, একপর্যায়ে সাংবাদিক মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল বলেন এখানে বলেন আপা, আয়েশা মেম্বার বলেন আরে ভাই আসছেন যেহেতু আমরা বসে কথা বলব, তখন সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল সহ কাকৈর তলা গ্রামের ৫-৬ জন পুরুষ সহ সিমা কামালের বাড়িতে ঢুকে ড্রয়িং রুমে বসায়, বসানোর সাথে সাথে সাংবাদিক মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল কাছে থাকা মুঠো ফোনটি ছিনিয়ে নেয় এবং তার সাথে থাকা গলায় ঝুুলিয়ে রাখা কাঁধের ব্যাগ খুলে নেওয়ার সময়, সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল বলে, আপা আপনি মোবাইল নিয়েছেন নেন ব্যাগ নিবেন না। ব্যাগ নিয়ে টানা টানির সময় আয়েশা মেম্বারের ইঙ্গিতে পাশে থাকা অন্য মহিলা একটা ছবি তোলেন।
তখন আয়েশা মেম্বার বলেন আপনি আমরা বোরকা ও ওড়না ধরে টান দিয়েছেন কেন, এক পর্যায়ে সাংবাদিক মহিবুল্লাহ ভূঁইয়ার বাবুলের ছেলে বলেন আন্টি আপনি মিথ্যা কথা বলেন কেন, আব্বু তো আপনার সাথে খারাপ ব্যবহার করেন আপনি এরকম করছেন কেন।
তখন সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল এর ছেলের হাত ধরে টান দিয়ে বলে আয়েশা মেম্বার। বাবা তুমি বাহিরে যাও এখন সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল এর ছেলে বলেন আমি আব্বুকে ছাড়া বাইরে যাব না।
এই কথা বলার সাথে সাথে আয়েশা মেম্বার সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল সহ তার ছেলেকে ড্রয়িং রুমে রেখে বাহির দিয়ে লক করে দেন।
পরে ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে কাকৈর তলা গ্রামের সুজন মজুমদার নামের সাংবাদিক এসে, সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল এর মুঠো ফোন ও তার ছেলেকে সহ উদ্ধার করে শান্তনা দিয়ে বাড়ীতে পাঠিয়েন।
সাংবাদিক মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল কাছে তার মুঠো ফোন আসলে, ১৩নং আদ্রা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রাকিবুল হাসান (লিমন) কে একের অধিক ফোন দেন, তাতে কোন সাড়া না পেয়ে ।
দিশা না পেয়ে সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ বরুড়া উপজেলার (ভারপ্রাপ্ত) নির্বাহী অফিসার মেহেদী হাসান এবং কুমিল্লা জেলা ডিসি মহোদয় কে ঘটে যাও ঘটনাটি আবগত করেন।
এখন প্রশ্ন জাগে, তথ্য ও প্রমান সহ সত্য প্রকাশ করলে, অন্যদের কাছে সাংবাদিক চাঁদ বাজ সহ আরও কত কি হতে হয়।
গাছ গুলো আনুমানিক মূল্য ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা হতে প্রায় ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা হতে পারে,
মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল বলেন আমি গত কিছু আগে ১৩নং আদ্রা ইউনিয়নের জন্ম নিবন্ধ বাণিজ্যের একটি নিউজ করেছি সেই রেশ ধরে আমাকে ফাসানোর চেষ্টা চলছে, আর যদি তা নাই হয়ে থাকে ঐখানে সি সি ক্যামরা আছে সি সি ক্যামরা দেখার জন্য বলবো। যদি কোন খারাপ আচরণ করে থাকি তাহলে সেই তথ্য প্রমান সহ উপস্থাপন করুন, এতে আইনি প্রক্রিয়ায় সাংবাদিক মোঃ মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া বাবুল আইনি সাজা যাই হবে তা মাথা পেতে নিব। আর নয় সঠিক অপরাধীদেরকে আইনের আওতায় আনার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছেন মহিবুল্লাহ্ ভূঁইয়া।
এই বিষয়ে বরুড়া থানায় একটি অভিযোগ করেন যাহার এস ডি আর নাম্বার- ১৯৯/২৩




