কেরানীগঞ্জে স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ সদস্য সহ ৮ জন গ্রেফতার

মোঃ মাসুদ,কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি : ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জ উপজেলার মডেল থানাথীন জনি টাওয়ার এলাকায় জুয়েলারী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ৯৮ ভরি স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় পুলিশ সদস্যসহ মোট ৮ জন ডাকাতকে গ্রেপ্তার করেছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ ।
ডাকাতির ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হলেন ১) লালবাগ থানায় কর্মরত পুলিশ কনস্টেবল (কং নং ১২৬৬৪) মো. কামরুজ্জামান (৪২), ২) মো. শফিকুল ইসলাম ছদ্ম নাম সুমন (৩৮), ৩) মো. রায়হান (৩২), ৪) উত্তম মজুমদার (৩৬), ৫) মো. জাকির হোসেন (৩৮), ৬) মো. শরিফ (৩৬), ৭) আনন্দ পাল (২৭), ৮) নাহিদা নাহার মেমী (৩২)।
আটককৃতদের কাছ থেকে ৫১ ভরি ৬ রতি স্বর্ণ, স্বর্ণ বিক্রির ১৫ লাখ টাকা এবং ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত মাইক্রোবাস উদ্ধার কর হয়।
সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) ঢাকা জেলা পুলিশ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান বলেন, গত ২ সেপ্টেম্বর বিকাল ৩টার দিকে মানিকগঞ্জের সিংগাইর থানাধীন গোবিন্দল জামটি বাজারে সোলাইমান জুয়েলার্সের মালিক মো. হবু মিয়া ঢাকার তাঁতী বাজারে গহনা তেরির জন্য ৯৮ ভরিস্বর্ণ বিস্কুট আকৃতির তেজাবি স্বর্ণের (গলানো স্বর্ণ) ৮টি বার দিয়ে কর্মচারী বরুণ ঘোষ (৪৮) কে মোটর সাইকেল যোগে পাঠায়, বরুণ স্বর্ণের বার গুলো নিয়ে কেরানীগঞ্জ মডেল থানাধীন জনি টাওয়ার এলাকার সাজেদা হাসপাতালের গলিতে মোটরসাইকেল রেখে তাঁতী বাজার যায়, তাঁতী বাজারের গহনা তেরির দোকান খোলা না থাকায় সে সাজেদা হাসপাতালে মোটর সাইকেল নেওয়ার সময় ওই ডাকাতরা বরুণকে মাইক্রোবাসে উঠে চোখ মুখ বেঁধে ঘুরিয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পে ফেলে যায়, পরবর্তীতে বরুণ বিষয়টি মোবাইল ফোনে মালিক হবু মিয়াকে জানালে তিনি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ডাকতির ঘটনায় একটি মামলা করেন (মামলা নং ১০,০৩-০৯-২০২২২ ইং), মামলার পর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ ও তথ্য প্রযুক্তি মাধ্যমে পুলিশ সুপারের নিদের্শে এএসপি (কেরানীগঞ্জ সার্কেল) শাহাবুদ্দিন কবির কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশের একটি চৌকস দল আশুলিয়া, সাভার, ডিএমপি সহ বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেফতার করেন, এসময় পুলিশ সুপার আরো জানান ধৃত ব্যক্তিরা আন্তঃজেলা ডাকাত দলের সদস্য।




