প্রতিবেশীকে ফাসাতে’ই থানায় মিথ্যা মামলা’র অভিযোগ

রংপুর অফিসঃ রংপুর মেট্রোপলিটন মহানগরীর জুম্মাপাড়া ইউসুফ স্কুল সংলগ্ন এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা ব্যবসায়ী নুরুজামান এর পরিবারের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিবেশী ইব্রাহিম ও মাসুদ রানা গং দ্বয়ের সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে গত মঙ্গলবার রাত অনুমান এগারোটার দিকে অমানুষিক হামলা ও গুরুতর নির্যাতনের শিকার হয় স্ত্রী ছেলে মেয়ে সহ পরিবারের ৪ সদস্য। অসহায় নুরুজামান এর পরিবারের দাবি তাদেরকে আকস্মিকভাবে, লাঠি ধারালো ছোরা ও লোহার রড দিয়ে এলোপাতাড়ি ভাবে বেধড়ক মাড় পিঠ কড়ে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করা হয়। পরে রাতেই স্থানীয় প্রতিবেশী লালু মিয়া ও স্থানীয় মোঃ আব্দুল কুদ্দুস দ্বয়ের সহযোগীতায় রংপুর সিটি কর্পোরেশনের এম্বুলেন্স এর মাধ্যমে অসহায় নুরুজামানের পরিবারের আহত চার সদস্য স্ত্রী-শিল্পী বেগম, ছোট ছেলে রাসেল, ও পারভেজ, সহ বড়ো মেয়ে রিনা বেগম কে গুরুতর রক্তাক্ত জখম অবস্থায় রমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক দের পরামর্শে গুরুতর আহত চার জন কে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে তাদের চিকিৎসা চলতে থাকে।
অথচ প্রভাবশালী ইব্রাহিম ও মাসুদ রানা গং দ্বয়ের সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার শিকার হওয়ার পরেও অলৌকিক ভাবে মিথ্যা মামলা নং(৭০/গত ৩১, মার্চ এর শিকার হয়ে উল্টো পুলিশী গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ অসহায় নুরুজামান পরিবারের।
অসহায় নুরুজামান পরিবারের অভিযোগ তার পরিবার কে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।প্রতিপক্ষ ইব্রাহিম ও মাসুদ রানা গং দ্বয় মিথ্যে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন তার মেয়ে এক সন্তানের জননী ফারিহা-(২৬) কে হত্যা করার উদ্দেশ্যে তার তল পেটে লাথি মেড়েছি এবং আঘাত প্রাপ্ত হয়ে জরায়ু দিয়ে রক্তপাত হইতে থাকার অভিযোগ এনেছে এজাহারে। হত দরিদ্র ও অসহায় পরিবারটির দাবি, মিথ্যা মামলায় আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যে এবং বানোয়াট।
অসহায় নুরুজামান এবং তার স্ত্রী -শিল্পী বেগম দাবী কড়ে বলেন, তাদেরকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। ঘটনার দিন তিনি সহ পরিবারের ছেলে ও মেয়ে সহ ৪,সদস্য কে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র এবং রড ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারডাং করে রক্তাক্ত জখম করেন। এখন উল্টো মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ করেন তিনি। পরিবারটির দাবি ঘটনার সঠিক ও সত্যতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সহযোগিতার ভিত্তিতে সঠিক তদন্তের দাবি করা হয়।
কোতোয়ালি থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ রহমান বলেন,অসহায় নুরুজামান পরিবারের পরিবার কে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে কিনা? এক প্রশ্নে জানতে চাইলে, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি বলেন, না এ ধরনের কোনো মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো ঘটনা নয়। উভয় পরিবারের মাঝে মারা মারির কারণে দু’পক্ষেরই মামলা গ্রহণ করা হয় বলে পুলিশ জানান।




