
আজ বিকালে বাম জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে শ্রমিক কর্মচারী সংগ্রাম পরিষদ নেতাদের মতবিনিময় কালে নেতৃবৃন্দ বলেন, সরকার মুখে শিল্পায়নের কথা বললেও বাস্তবে তারা জাতীয় শিল্পের বিরুদ্ধেই অবস্থান নিয়েছে। কিছু লুটেরা ও সরকারের অনুগ্রহপ্রাপ্ত ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর স্বার্থে তারা একের পর এক জাতীয় শিল্পবিরোধী পদক্ষেপ নিয়ে চলেছে।এই অপতৎপরতার অংশ হিসাবে রাষ্ট্রায়ত্ব পাটকলের পর রাষ্ট্রায়ত্ব চিনিকলসমূহ বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে। সরকারের ভুল নীতি,চুরি, দূর্নীতি, অব্যবস্থাপনার দায় চাপানো হচ্ছে শ্রমিক কর্মচারীদের উপর। সংকটের সমাধান না করে এখন রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা বেসরকারি খাতে লুটেরা হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে।সরকারের এসব পদক্ষেপে দেশের গোটা রাষ্ট্রায়ত্ত খাত আজ ধ্বংসের মুখে।
মতবিনিময় সভায় নেতৃবৃন্দ জাতীয় শিল্পখাত ধ্বংস করার এই আত্মঘাতী তৎপরতা থেকে সরে এসে বন্ধ পাটকল ও চিনিকলসমূহ আধুনিকায়ন করে আবার চালু করার দাবি জানিয়েছেন।
সভায় নেতৃবৃন্দ একইসাথে অন্যান্য শিল্পখাত ও শ্রমিকদের বাঁচার দাবি নিয়ে আলোচনা করেন।নেতৃবৃন্দ শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক ও মানবিক দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধ শ্রমিক আন্দোলন জোরদার করার আহবান জানান।
সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
বাম জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় শ্রমিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ফয়েজ হোসেন, জহিরুল ইসলাম, আবু হাসান টিপু, হারুন অর রশীদ, আবদুল আলী, শামীম ঈমাম, আলিফ দেওয়ান,শামসুল আলম জুলফিকার, সুবল সরকার, মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক।
বাম জোট নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বজলুর রশিদ ফিরোজ,আব্দুল্লাহ আল কাফি, মানস নন্দি, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাচ্চু ভূঁইয়া, মোশরেফা মিশু, হামিদুল হক, বিধান দাস,শহীদুল ইসলাম সবুজ প্রমুখ।
বিজ্ঞপ্তি




