কাভার্ডভ্যানে সিলিন্ডার সংযুক্ত করে সিএনজি গ্যাস বিক্রিঃ প্রশাসন নীরব

ইলিয়াছ সানি, বিশেষ প্রতিনিধি: দক্ষিণ চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় দেশের আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে জনবহুল এলাকায় কাভার্ডভ্যানে সিলিন্ডার স্থাপন করে সিএনজি গ্যাস বিক্রি করছে এক শ্রেণীর অসাধু প্রভাবশালী সিন্ডিকেট।
বিদ্যালয় ও জনবহুল এলাকায় ভাসমান সিএনজি গ্যাস বিক্রি করার ফলে সাধারণ মানুষ সব সময় আতংকিত থাকে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় মোট ৩টি অবৈধ সিএনজি গ্যাস স্টেশন রয়েছে। সেগুলো হল উপজেলা সদরের দরবেশহাট রোডের কাজির পুকুর পাড় নামক স্থানে ২টি ও পদুয়া তেওয়ারীহাট এলাকায় ১টি।
রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় এক শ্রেণীর প্রভাবশালী সিন্ডিকেট কোন প্রকার বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই অধিক মুনাফার লোভে জনবহুল এলাকায় এভাবে গ্যাস বিক্রি করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কিছু সিএনজি অটোরিকশা চালক জানান, মহাসড়কে সিএনজি অটোরিকশা চালানো নিষেধ থাকায় অনুমোদিত গ্যাসস্টেশনে যেতে পারি না। তাই স্বাভাবিক মূল্যের চেয়ে অনেক চড়া মূল্যে কিনতে হয়। যে গ্যাস ১শত টাকায় পাওয়া যায়, সেই গ্যাস ভাসমান গ্যাস ষ্টেশন থেকে কিনতে হয় ২৫০ টাকায় কিনতে হয়।
সাতকানিয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের সিনিয়র স্টেশন অফিসার এস এম হুমায়ুন কার্ণায়েন বলেন, কাভার্ডভ্যানে সিলিন্ডার বসিয়ে গ্যাস বিক্রির ব্যাপারে ফায়ার সার্ভিস থেকে কোনো অনুমোদন নেয়া হয়নি। ফায়ার সার্ভিস ফায়ার সেফটি না দেখে ভ্রাম্যমাণ কোন প্রতিষ্ঠানকে গ্যাস কিংবা জ্বালানি সামগ্রী ব্যবসার অনুমতি দিবে না। এভাবে গ্যাস বিক্রি করা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। যেকোনো মুহূর্তে বড় ধরণের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। হতে পারে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। যারা এসব ব্যবসা করছেন তারা দেশের প্রচলিত আইন অমান্য করছেন।
লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আহসান হাবিব জিতু বলেন, কাভার্ডভ্যানে সিলিন্ডার বসিয়ে গ্যাস বিক্রি করা অবৈধ। দ্রুত সময়ে অভিযান চালিয়ে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




