রাজনীতি

মুক্তিযুদ্ধ ছিল এদেশের আপামর জনগণের হার না মানা এক জনযুদ্ধ-বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি

বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেছেন এই জনপদের মানুষের কয়েক হাজার বছরের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ তথা স্বাধীনতার সংগ্রাম। ইতিহাসের রক্তক্ষয়ী এই সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ তার স্বাধীন রাজনৈতিক ভূখণ্ড অর্জন করে। বস্তুত: মুক্তিযুদ্ধ ছিল এদেশের আপামর জনগণের হার না মানা এক জনযুদ্ধ। এদেশের রাজনৈতিক আর অর্থনৈতিক দিশা নির্দেশ করা হয় স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে। যে ঘোষণায় বলা হয়েছে সাম্য, মানবিক মর্যাদা আর সামাজিক ন্যায় বিচারের দিশায় বাংলাদেশ পরিচালিত হবে। কিন্তু এদেশের শাসকশ্রেণী আর শাসক গোষ্ঠির ব্যর্থতায় জনগণের স্বপ্নভঙ্গ হয়েছে। তাদের গণতান্ত্রিক আশা-আকাঙ্খা প্রতারিত হয়েছে। বাংলাদেশকে আজ স্বাধীনতার ঘোষণার বিপরীতে ঠেলে দেয়া হয়েছে। একদেশে দুই সমাজ দুই অর্থনীতি কায়েম হয়েছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার রুদ্ধ করে দেশে কর্তৃত্ববাদী শাসন চালু করা হয়েছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে তিনি মুক্তিযুদ্ধের মৌল চেতনা-স্বাধীনতার ঘোষণার দিশায় দেশ পরিচালনায় জনগণের নতুন বৃহত্তর আদর্শিক ও রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উজ্জাপনের লক্ষ্যে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সভাপতি হিসাবে তিনি উপরোক্ত বক্তব্য রাখেন।
সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে আয়োজিত এই মতবনিমিয় সভায় বক্তব্য রাখেন নঈম জাহাঙ্গীর, ইফতেখার আহমেদ বাবু, অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান মাসুম, মহিউদ্দীন আহমেমদ, হাসান ফখরী, আবদুল মালেক, এড. তাসমিন রানা, জুলফিকার রাসেল, শহীদুল আলম নান্নু, অধ্যাপক সুরাজ দেবনাথ, মুনিরুল হক বাবু, মাসুদ রানা, বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক প্রমুখ।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button