
হাসপাতালে গিয়ে দেশের মানুষের করোনাভাইরাসের চিকিৎসা নেওয়ার আগ্রহ দিন দিন কমে তলানিতে ঠেকছে। ফলে করোনারোগীর চিকিৎসার জন্য দেশজুড়ে হাসপাতালগুলোতে স্থাপিত ১৫ হাজার শয্যার ১১ হাজারই খালি পড়ে আছে।
দেশে কভিড-১৯ সংক্রান্ত সবশেষ পরিস্থিতি তুলে ধরার সময় শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিন থেকে জানা যায়, করোনা চিকিৎসায় বর্তমানে দেশের হাসপাতালগুলোতে মোট সাধারণ শয্যার সংখ্যা ১৫ হাজার ২৪০টি, এর মধ্যে রোগী ভর্তি আছেন মাত্র ৩ হাজার ৭৯৭ জন। খালি পড়ে আছে ১১ হাজার ৪৪৩টি শয্যা।
সারা দেশে হাসপাতালগুলোতে আইসিইউ শয্যা আছে ৫৫০টি, এসবে করোনারোগী ভর্তি আছে ৩৩১ জন, রোগীশূন্য ২১৯টি আইসিইউ বেড।
শুক্রবার পর্যন্ত ঢাকা মহানগরীর হাসপাতালগুলোতে সাধারণ শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন ২ হাজার ৩৪ জন, আইসিইউতে রোগী ভর্তি আছেন ১৯৭ জন। চট্টগ্রাম মহানগরীতে সাধারণ শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন ২৯৬ জন, আইসিইউ শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন ২১ জন।
সারা দেশে অন্যান্য হাসপাতালে সাধারণ শয্যায় রোগী ভর্তি আছেন ১ হাজার ৪৬৭ জন, আইসিইউ শয্যায় ভর্তি আছেন ১১৩ জন।
বুলেটিনে জানানো হয়, শুক্রবার সকাল আটটা পর্যন্ত চব্বিশ ঘণ্টায় সারা দেশে ১২ হাজার ৬১৪ টি নমুনা পরীক্ষা করে সংক্রমণ পাওয়া গেছে ২ হাজার ৭৭২ জনের শরীরে। তাতে সরকারি হিসেবে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৬ জনে।
চব্বিশ ঘণ্টায় ২৮ জনসহ শনাক্তদের মধ্যে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ১১১জনে। আর ২ হাজার ১৭৬ জনসহ মোট সুস্থ হয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৭৬ জন।
সবশেষ তথ্যানুযায়ী, দেশে করোনার নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ২১.৯৮ শতাংশ, শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.৩১ শতাংশ এবং সুস্থতার হার ৫৬.৮৬ শতাংশ।
সুস্থদের ও মৃতদের সংখ্যা বাদ দিলে দেশে বর্তমানে ‘অ্যাকটিভ’ করোনারোগী আছে প্রায় ১ লাখ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে গত ৮ মার্চ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম রোগীর খোঁজ মেলে; এর দশ দিনের মাথায় ঘটে প্রথম মৃত্যু। দেশ রূপান্তর




