হামাস-ইসরাইল সমঝোতা

গাজা উপত্যকায় বর্বরতা বন্ধে ইসরাইলের সাথে একটি সমঝোতায় পৌছার কথা জানিয়েছে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস। গ্রুপটির পক্ষ থেকে শনিবার বলা হয়েছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় শান্তি আনার স্বার্থে একটি চুক্তি দ্বারপ্রান্তে পৌছেছি আমরা। শুক্রবার সর্বশেষ ইসরাইলি হামলায় গাজায় চার ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। এক ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার জেরে এই হামলা চালায় ইহুদিবাদী দেশটির সেনারা।
হামাসের মুখপাত্র ফাওজি বারহুম শনিবার সকালে এই চুক্তিটির কথা ঘোষণা করে বলেন, মিসর ও জাতিসঙ্ঘ কর্মকর্তাদের মধ্যস্ততায় দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। শুক্রবার মধ্যরাত থেকে অনেক চেষ্টার পর দুই পক্ষ শান্তি চুক্তিতে সম্মত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দখলদার ইরাইলি বাহিনী ও ফিলিস্তিনি গোষ্ঠিগুলোর মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌছেছি আমরা। এর লক্ষ্য গাজা উপত্যকায় আবার শান্তি ফিরিয়ে আনা।’ অবশ্য ইসরাইলের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠাকিভাবে এই সমঝোতার বিষয়ে কিছু বলা হয়নি। তবে ইসরাইলি হারেৎজ পত্রিকা জানিয়েছে, ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছেন, গাজার পাশ্ববর্তী এলাকার মানুষরা স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে। হারেৎজ বিবৃতিটিকে উদ্বৃত করেছে এভাবে, ‘দক্ষিণ কমান্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গাজা উপত্যকায় সাধারণ মানুষকে নিয়মিত কর্মকাণ্ড চালাতে দেয়া হবে’।
হামাস আরো জানিয়েছে, শুক্রবার ইসরাইলি হামলায় নিহত হয়েছে গোষ্ঠিটির তিন সদস্য। গাজার দক্ষিণ অংশে ইসরাইলের ব্যাপক হামলায় তারা নিহত হয়। এসময় তিন হামাস ছাড়াও এক সাধারণ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ইসরাইল বলছে, ফিলিস্তিনি বন্দুকধারীর গুলিতে এক ইসরাইলি সেনা নিহত হওয়ার পর তারা হামলা চালিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ইনস্টিটিউট ফর পলিসি স্টাডিজের পরিচালক ফিলিস বেনিস বলেন, চুক্তিতে শান্তি আনার কথা বলা হয়েছে। কয়েক দশক ধরেই গাজায় শান্তির বিষয়টি অনুপস্থিত। গত কয়েক মাসে ইসরাইলি হামলায় অন্তত ১৪০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৬ হাজারের বেশি লোক।
আল জাজিরা




