
বাম গণতান্ত্রিক জোটের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ আজ গণমাধ্যমে প্রদত্ত এক যুক্ত বিবৃতিতে সুনামগঞ্জে হাওরের ফসল রক্ষায় জরুরী ভিত্তিতে বাঁধ সংস্কার ও নির্মাণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহবান জানিয়েছেন এবং বলেছেন আগামী ৪৮ ঘন্টার মধ্যে বাঁধের প্রয়োজনীয় সংস্কার করতে না পারলে হাওরের ফসল বানের পানিতে পুরোপুরি তলিয়ে যেতে পারে।নেতৃবৃন্দ প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন।তারা বলেন , এখুনি পরিস্থিতি সামাল দিতে না পারলে হাওরের ফসল ২০১৭ সালের মত বিপর্যয় নেমে আসতে পারে। এই পরিস্থিতি দেশে গুরুতর খাদ্য সংকট তৈরী করতে পারে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম , দূর্নীতি, ধীরগতি এবং সর্বোপরি তাদের কর্মকর্তা ও ঠিকাদারি সংস্থার স্বেচ্ছাচারীতার কারণে এখন হাওরের ফসল চরম ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।তারা উল্লেখ করেন, ২৮ ফেব্রুয়ারীর মধ্যে হাওর রক্ষার সমস্ত কাজ শেষ হবার কথা থাকলেও তা শেষ হয়নি।
নেতৃবৃন্দ অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করারও দাবি জানান।একই সাথে তারা হাওর রক্ষার বর্তমান অকার্যকরী আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা পরিবর্তনেরও দাবি জানান।
একইসাথে নেতৃবৃন্দ, বাসাবাড়িতে মারাত্মক গ্যাস সংকটে গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ করেন এবং বলেন গ্যাসের ব্যবস্থাপনাগত সংকটে এই পরিস্থিতি তৈরী হয়েছে। তারা অবিলম্বে গ্যাস সরবরাহের পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে ব্যবস্থা গ্রহনের দাবি জানান।
বিবৃতি প্রদান করেন জোটের সমন্বয়ক বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি শাহ আলম ও সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, ইউনাইটেড কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, বাসদ- মার্কসবাদীর সমন্বয়ক মাসুদ রানা,গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু, ওয়ার্কার্স পার্টি- মার্কসবাদীর সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ ও সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের সভাপতি হামিদুল হক।




