slider

স্বরূপকাঠিতে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী নিখোঁজ থানায় ডায়রি

নেছারাবাদ(পিরোজপুর)প্রতিনিধি : পিরোজপুরে স্বরূপকাঠিতে ইশরাত জাহান নামে চতুর্থ শ্রেনীর ছাত্রী নিখোঁজ হয়েছে। এ বিষয়ে ইশরাতের খালা সোনিয়া আক্তার নেছারাবাদ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।
নিখোজ ইসরাত জাহান উপজেলার ৩নং স্বরূপকাঠি ইউনিয়নের ০৮নং ওয়ার্ডের তানিয়া আক্তারের মেয়ে। শিশু ছাত্রী ইসরাত ওই ওয়ার্ডের তার আপন খালার বাসায় থেকে লেখা পড়া করত। মেয়েটি উপজেলার দক্ষিন পূর্ব জগন্নাথকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেনীতে পড়াশুনা করে।
সে গত গত ২০-১০-২০২২ইং তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় খালার সাথে স্কুলে যায়। খালা স্কুলে পৌঁছে দিয়ে বাসায় ফেরে। স্কুল ছুটি হলে তাকে আর স্কুলে গিয়ে পাওয়া যায়নি সে বাসায় ফিরেনি। তার খালা,খালু ইসরাতকে অনেক খোজাখুজির পর না পেয়ে বুধবার নেছারাবাদ থানায় একটি সাধারন ডায়েরী করেছেন। নেছারাবাদ থানার দায়েরকৃত ডায়েরী নং-৮১।
নিখোজ ইসরাতের খালা সোনিয়া বেগমের দায়েরকৃত ডায়েরী থেকে জানা যায়, তার ছোট বোন মোসাঃ তানিয়া আক্তার কর্মের তাগিদে বিদেশ থাকে। তাই তার মেয়ে মোসাঃ ইসরাত জাহানকে শিশুকাল হইতে সোনিয়া বেগম লালন পালন করে আসছে। গত ২০-১০-২০২২ইং তারিখ সকাল অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় স্কুলের উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়ে গত তের ধরে তাকে খুজে পাওয়া যাচ্ছেনা।
সোনিয়া বেগম অভিযোগ করেন, তার বোন দুলা ভাই এর মধ্য কলহ রয়েছে। তার দুলা ভাই বোনকে ছেড়ে অন্যত্র বিবাহ করেছে। পরে বোন জীবিকার তাগিদে অনেক কষ্ট করে ছোট মেয়েটিকে তার কাছে রেখে বিদেশে কাজ করছেন। সেই থেকে বোনের মেয়ের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছেন সোনিয়া বেগম। গত তের দিন পূর্বে তার বোনের মেয়ে ইসরাত প্রতিদিনের ন্যায় বাড়ী থেকে স্কুলে যায়। স্কুল থেকে ইসরাত আর বাসায় ফিরেনি। এই বলে সোনিয়া কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
এ ব্যাপারে দক্ষিন পূর্ব জগন্নাথকাঠী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো: নুরুল আমীন বলেন, ইসরাত আমার বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী। মেয়েটি প্রতিদিনের ন্যায় সেদিনও আমার বিদ্যালয়ে আসে।আমি জরুরি কাজে বাহিরে যাই এসময় হটাৎ এক ব্যক্তি ইসরাতের বাবা পরিচয় দিয়ে ক্লাসটিচার কে বলে কিছু সময়ের জন্য মেয়েটিকে নিয়ে গেছে। আর ক্লাসে ফিরে আসেনি। তবে মেয়েটি বর্তমানে কোথায় আছে নিয়ে আমাদেরও চিন্তা হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button