Uncategorized

সাটুরিয়ায় ছাড়পত্র ছাড়াই আ: লীগ নেতার পোল্ট্রি ফার্ম

বসতবাড়ী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরিবেশ দুষিত

নিজস্ব প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ: জেলার সাটুরিয়া উপজেলার এক আওয়ামী লীগ নেতার পরিবেশ অধিদপ্তরের আপত্তি কে উপেক্ষা করে অবৈধ ভাবে পোল্ট্রি ফার্ম চালানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।
পোল্ট্রি ফামটি ১২ টি বসতবাড়ী ও একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ঘেষে ফার্মটি পরিচলান করার ফলে অর্ধ শতাধিক মানুষ ও ৫ শতাধিক ছাত্র- ছাত্রীদের স্বাভাবিক জীবন যাপন মারাত্তক অসুবিধা হচ্ছে। তাছাড়া খামারের মেঝেতে মুরগীর বৃষ্ঠা পরিস্কার না করার ফলে এ পথচারীও দুর্গন্ধে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে।
এ বিষয়ে ফার্মটির আশে পাশে বসবাস কারী অর্ধশতাধিক মানুষের স্বাক্ষরিত একটি লিখিত অভিযোগ সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর দায়ের করছেন এলাকাবাসী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সাটুরিয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি রৌশন কাদের প্রায় এক বছর আগে ১২ টি বসতবাড়ী ও মালশি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সিমানা ঘেসে একটি পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করে আসছে। এতে ১২ টি পরিবারে প্রায় অর্ধশতাদিক মানুষ ফার্মটির দুর্গন্ধে মারাত্তক অসুবিধা হচ্ছে। তাছাড়া এ ফার্মটি ১২ টি বসত বাড়ী ছাড়াও একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অতি সন্নিকটে হওয়ার ফলে প্রায় ৫ শতাধিক ছাত্র- ছাত্রীদের পড়া লেখা বিঘ্ন ঘটছে।
শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, ফার্মটিতে মুরগির বিষ্ঠা ফালানোর কোন ব্যাবস্থা নাই। মালশি গ্রামের নাইমসহ আরো ১০-১৫ জন লোক জানান, এ ফার্মটি পরিবেশ অধিদপ্তরের ছারপত্র ছাড়াই বসতবাড়ী ও বিদ্যালয় ঘেষে এক বছর ধরে পরিচালনা করে আসলেও প্রশাসন কোন ব্যাবস্থা নিচ্ছে না। মানিকগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর ২৭-৬-২০১৬ তারিখে ২২.০২.৫৬০০.১৪১.৬০.১২৫.১৬.১৬৮ স্বারক সংবলতি ফার্মটি পরিবেশ দূষনের দায়ে কেন আইনুনাগ ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে তার জন্য লিখিত ভাবে কার্যালয়কে অবহিত করার একটি নোটিশ প্রধান করা হয়। তারপর ও রহস্যজনক ভাবে আওয়ামী লীগ নেতা হয়ার কারনে দিব্যি অবৈধভাবে পরিবেশ নষ্ট করে পোল্ট্রি ফার্মটি পরিচালনা করে আসছে।
এ ব্যাপারে মানিকগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সিনিয়র ক্যামিষ্ট মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, এমন লিখিত অভিযোগ পেয়ে ঘটনা স্থলে আমার কর্মকর্তা পাঠালে বসত বাড়ীর ঘেসে অবৈধভাবে পোল্ট্রি ফার্ম পরিচালনা করে আসছে। পরে নোটিশ দিলে আওয়ামী লীগ নেতা রৌশন কাদের আমার কার্যালয়ে এসে কথা দেয় ঈদের পর সে আর বাচ্চা উঠাবে না।
তিনি আরো জানান, পরিবেশ অধিদপ্তরের কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সংশোধিত-২০১০) এর ৯ ও ১২ ধারার সুস্পষ্ট লংঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ। উক্ত আইনের ধারা ১২ এর বিধান লঙ্গন করার দায়ে অনূন্য ২ বছর অনধিক ৫ বৎসর কারাদন্ড বা এক লক্ষ ,অনধিক ৫ লক্ষ টাকা অর্থদন্ড বা উভয় অর্থদন্ড প্রধানের বিধান রাখা হয়েছে। সে আবার বাচ্চা ফার্মে তুলেছে বিধায় আগামী রবিবার তাকে ডাকা হয়েয়ে আমার কার্যালয়ে তার বক্তব্য শুনে ফার্মটি বন্ধের জন্য পরবর্তি আইনি পদক্ষেপ গ্রহন কর।
এ ব্যাপারে সাটুরিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি অবৈধ পোল্ট্রি ফার্মের মালিক রৌশন কাদের জানান, মানুষ তা বেকার বসে থাকতে পারে না। সব জায়গায়ত পোল্ট্রি ফার্ম দিয়ে কিছু আয় করছে। তাই আমিও বসে না থেকে কাজ করে খাচ্ছি এটা দুষের কিছু না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button