পতাকা ক্যারিয়ার

সফল ব্যক্তিদের ১০০ জীবনচর্চা (অনুশীলন ৮৬): ‘শুভসংবাদের উপর মনোযোগ দিন’

প্রিয় পাঠক, আপনাদের জন্য রয়েছে আমাদের এ নতুন আয়োজন। এখানে ‘দ্য সিল্ক রোড পার্টনারশিপ’ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা নাইজেল কাম্বারল্যান্ড লিখিত একটি বইয়ের সাথে আপনাদের পরিচয় করানো হবে। বইটির শিরোনাম, ‘হান্ড্রেড থিংস সাকসেসফুল পিপল ডু: লিটল এক্সারসাইজেস ফর সাকসেসফুল লিভিং’। এবং আমরা বইটি অনুবাদ করছি “সফল ব্যক্তিদের ১০০ জীবনচর্চা” শিরোনামে। সপ্তাহব্যাপী এই আয়োজনে প্রতিদিন এই বই থেকে একটি করে বিষয় আলোচনা করা হবে। আজকের আয়োজনে জেনে নিন সফল ব্যক্তিদের করা ৮৬ নম্বর বিষয়টি সম্পর্কে।
অনুশীলন ৮৬: ‘শুভসংবাদের উপর মনোযোগ দিন’
সমগ্র পৃথিবীই খারাপ সংবাদে পরিপূর্ণ। আপনি কীভাবে কোন সংবাদ গ্রহণ করবেন, তা সম্পূর্ণই কিন্তু আপনার উপর নির্ভর করে। অনেকেই, এড়িয়ে যাওয়াকে সমাধান মনে করেন। প্রচুর মানুষ আছেন যারা জীবনের সকল নেতিবাচকতা এড়িয়ে চলার জন্য কোন ধরণের খবর দেখা এবং পড়া থেকে বিরত থাকেন। আপাতদৃষ্টিতে এটিকেই সহজ সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। কিন্তু অদূর ভবিষ্যতে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা হতে পারে এর জন্য।
যেকোন দুঃসংবাদের একটি ইতিবাচক দিক হলো এতে আপনার সমবেদনা শক্তি বৃদ্ধি পায় এবং ভালো ও খারাপ যেকোন কিছু খুব সহজেই আলাদা করতে পারেন আপনি।
আপনার জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হলো নেতিবাচকতা যেন কোনভাবেই আপনাকে মনঃক্ষুণ্ণ না করতে পারে। যে স্বপ্ন এবং লক্ষ্য আপনি অর্জন করতে চান, তা থেকে যেন কোনভাবেই সরে না পড়েন। কোন ধরনের দুঃসংবাদ আপনার সাফল্যের পথে যেন হুমকি না হয়ে দাঁড়ায়, সেটি মনে রাখুন। পৃথিবীতে সবারই ভালো ও সচ্ছল জীবন পাবার অধিকার আছে।
নিজেকে ইতিবাচক রাখার চেষ্টা করুন
ইতিবাচক যেকোন খবরের দিকে মন দেবার চেষ্টা করুন। যতোটি দুঃসংবাদ আপনার কাছে আসবে, চেষ্টা করুন ভালো কোন খবর দিয়ে সেটিকে ব্যালান্স করে দেওয়ার। অনেক ওয়েবসাইট আপনি পাবেন ইতিবাচক খবরের সন্ধান, যেগুলো পড়ে আপনি আশান্বিত হবেন। উটপাখি হয়ে বালির ভেতরে মাথা লুকিয়ে আর কতোদিন? পরিপুর্ণ মানুষ হবার জন্যে ভালো ও খারাপ দুটি দিক গ্রহণের মানসিকতা রাখা উচিৎ। পৃথিবীতে কোথায় কী হচ্ছে খোঁজ রাখুন। শুধুমাত্র নেতিবাচক দিকের প্রতি মনোনিবেশ না করে তার মধ্যে ইতিবাচকতাও খুঁজুন।
কথোপকথন বদলে ফেলুন
কারো সঙ্গে দুঃখজনক কোন ব্যাপারে আলাপ করার সময় খুব দীর্ঘ সময় সে ব্যাপার যেন না গড়ায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। আপনিই চেষ্টা করুন কথা বদলে ফেলতে। বিষণ্ণতা যেন তার সঙ্গে সঙ্গে আপনাকেও প্রভাবিত না করে, বিবেচনা করুন। আশেপাশে মজাদার কিছু হচ্ছে কী না সেটি নিয়েও বলতে পারেন।
খবর তৈরির জন্যে সম্পাদকেরা হয়তো মনোযোগ দিয়ে দুঃসংবাদ তৈরি করতে পারেন কিন্তু সেটি সাধারণ মানুষের জন্যে মোটেই আনন্দের নয়!
প্রিয়.কম

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button