বিনোদন

শ্রীলেখার অভিযোগ নিয়ে মুখ খুললেন ঋতুপর্ণা

কলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপোষণ এবং প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়-ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত চক্রের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন শ্রীলেখা মিত্র। তা নিয়ে ইতিমধ্যেই মুখ খুলেছেন ঋতুপর্ণা। তবে এখনই কোনো প্রতিক্রিয়া দিতে চান না বলে জানান প্রসেনজিৎ। মুখ খুলেছেন প্রযোজক অশোক ধানুকা ও অভিনেতা শ্বাশত চট্টোপাধ্যায়।
জি নিউজ জানায়, শুধুমাত্র প্রসেনজিতের সঙ্গে জুটি বেঁধেই অভিযোগ অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ঋতুপর্ণা। তিনি বলেন, ২০০১-১৫ সাল পর্যন্ত এ জুটির কোনো ছবি হয়নি। তারপরও বিভিন্ন ধরনের ছবি করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজেকে টিকিয়ে রাখতে পেরেছেন বলে জানান ঋতুপর্ণা।
‘অন্নদাতা’ ছবি নিয়ে শ্রীলেখা যে অভিযোগ করেছেন, সে প্রসঙ্গে মুখ খোলেন প্রযোজক অশোক ধানুকা। তার কথায়, “আমি ঋতুপর্ণাকে প্রথম ফোন করেছিলাম ‘অন্নাদাতা’র জন্য। ঋতুপর্ণা সে সময় আমেরিকাতে ছিলেন, তাই আমি শ্রীলেখাকে নিয়েছিলাম। তবে সেসময় যাদের দেখতে মানুষ চাইত, তাদেরকেই সাধারণত সিনেমায় কাস্ট করা হতো। আর শ্রীলেখা ‘অন্নদাতা’র আগে কোনো ছবিতে নায়িকা হননি। তাই আমি শ্রীলেখার উপর ভরসা করতে পারিনি। আসলে প্রসেনজিৎ-ঋতুপর্ণার জুটির ছবি চলত, তাই এই জুটিকে নেওয়া হত। বুম্বাদা কোনোদিনই এনাকে নিতে হবে, ওনাকে নিতে হবে বলে ঠিক করে দেননি।”
পুরো বিষয়টি নিয়ে অভিনেতা শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় বলেন, “এখন যে সময়ের মধ্যে দিয়ে আমরা যাচ্ছি, এই সময় প্রায় প্রত্যেক মানুষের মধ্যেই অবসাদ আসাটা খুব স্বাভাবিক। আমি বলবো আসুন আমরা চেষ্টা করি, যাতে নেগেটিভিটি না ছড়ায়। প্রত্যেক পেশাতেই অনেকের মনেই হয়ত এই ধারণাটা আছে, কোনো না কোনোভাবে তারা ঠকেছেন। এই ধারণাটা যদি মনে বসে যায়, সেখান থেকে বের হওয়ার কোনো রাস্তা তারা জীবনে পাবেন না।”
“আমার সঙ্গেও এমন ঘটেছে, কোনো একটা ছবিতে নায়কের সঙ্গে একটা মাত্র দৃশ্য ছিল, সেটা ডাবিং করতে গিয়ে দেখি আমি নেই। দেখুন, শুভেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের ছেলে হিসাবে ইন্ডাস্ট্রিতে ঢোকার কোনো সুযোগই ছিল না। বাবার চেহারার একবিন্দু আমি পাইনি। আমার অভিনয়ের প্রতি ভালোবাসা ছিল, তাই এসেছি।”
শ্রীলেখার উদ্দেশ্য শাশ্বত বলেন, “আশ্বর্য প্রদীপে’ তোর আমার ওই দৃশ্যে অভিনয় করার মতো অভিনেত্রী খুব কম আছে। আমি চাইব তুই এটা থেকে বের হয়ে আয়। নেগেটিভিটির মধ্যে থাকিস না। দুবছর আগে আমি একটা ফ্রাঞ্চাইজির চিত্রনাট্য শুনেছি, তারপর দেখছি, সেটা অন্য কেউ করছে। এটা যদি আমি মাথায় রাখি, তাহলে তো জীবনে বাঁচতও পারব না।”

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button