sliderশিরোনামশ্রমিক

শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদের হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি

বাংলাদেশ গার্মেন্টস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল ওয়ার্কার্স ফেডারেশনের গাজীপুর জেলা শাখার সভাপতি শহিদুল ইসলাম শহীদ কে হত্যা এবং মোস্তফা কামাল ও আহমেদ শরীফ কে আহত করার ঘটনার নিন্দা এবং হামলাকারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং প্রিন্স জ্যাকার্ড সোয়েটার লিমিটেডের শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা অবিলম্বে পরিশোধের দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট এর আশুলিয়া-সাভার শিল্পাঞ্চল কমিটি সাধারণ সম্পাদক শ্রমিকনেতা আনিসুর রহমান আনিস, শ্রমিকনেতা সরোয়ার হোসেন, শ্রমিকনেতা মিজানুর রহমান মিজান, শ্রমিকনেতা আল-কামরান, শ্রমিকনেতা বাবুল হোসাইন, শ্রমিকনেতা আশিক সরকার, শ্রমিকনেতা হাসমত আলী প্রমুখ,
গতকাল বিকাল ০৫টায় আশুলিয়া-জামগড়া ফ্যান্টাসি কিংডমের সামনে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে মাধ্যমে প্রকাশের উদ্দেশ্যে প্রেরিত বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, গাজীপুরের টঙ্গীর সাতাইশ এলাকায় প্রিন্স জ্যাকার্ড সোয়েটার লিমিটেড পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা দুই মাসের বকেয়া বেতন ও ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবিতে আন্দোলন করছিল। কারখানা কর্তৃপক্ষ ২৫ জুন বকেয়া পাওনা পরিশোধের সময় দিয়েও পরিশোধ না করায় শ্রমিকদের আহবানে শ্রমিক নেতা শহিদুল ইসলাম শহীদ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করতে কারখানায় যায় এবং আলোচনা শেষে কারখানা থেকে বের হওয়ার সাথে সাথে কারখানার গেটেই মালিকের লালিত সন্ত্রাসীরা শহীদ ও তার সাথের শ্রমিক নেতাদের উপর হামলা করে মারাত্মক জখম করে। নিকটবর্ত্তী তায়রুন্নেসা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েক ঘন্টার মধ্যে শহীদ মৃত্যুবরণ করে। ঘটনার ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে প্রিন্স জ্যাকার্ড সোয়েটার লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের বেতন-ভাতা আাদায় করে দিতে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি দপ্তরসমুহ তাদের দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে। শুধু তাই নয় শ্রমিকদের উপর হামলা করে, নিপিড়ন চালিয়ে, মিথ্যা মামলায় হয়রানির ভয় দেখিয়ে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ না করে তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়ার অপরাধ কখনো কোন মালিক বা দায়ী ব্যক্তিকে শান্তি পেতে হয়নি বলেই বিভিন্ন শিল্পের অসাধু মালিকরা প্রশাসনের অসাধু কর্মকর্তাদের প্রশ্রয়ে শ্রমিকের পাওনা আত্মসাৎ করতে সন্ত্রাসী লালনের অপকৌশলের চর্চা করছে।

নেতৃবৃন্দ হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করে বলেন তদন্ত কাজে গাফলতি বা আসামি গ্রেপ্তারে দীর্ঘসুত্রিতা প্রতীয়মান হলে উদ্ভুত পরিস্থিতির দায় মালিক এবং প্রশাসন কে বহন করতে হবে। নেতৃবৃন্দ তদন্ত শেষের পুর্বে সংশ্লিষ্ট কারখানা মালিকের দেশত্যাগ বন্ধ এবং ঈদের আগেই শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধ নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button