শিবালয়ের নয়াকান্দীতে রাস্তার বেহাল দশায় জনদুর্ভোগ চরমে

সুমন হোসেন, শিবালয় প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জ জেলার শিবালয় উপজেলার আরুয়া ইউনিয়নের নয়াকান্দী বাজার থেকে দক্ষিণ দিকে নদীর পাড় পর্যন্ত প্রায় ১ কি.মি. রাস্তা মেরামত বা সংস্কার না করায় দীর্ঘদিন যাবৎ বেহাল দশায় রয়েছে। প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক পথচারী, যানবাহন চলাচল করলেও রাস্তার বেহাল দশার কারণে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেন। এছাড়া, জরুরি প্রয়োজন এমনকি মুমূর্ষু রোগী নিয়ে হাসপাতালে যাওয়া খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কযোগে প্রতিদিন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী ও ব্যবসায়ীসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ যাতায়াত করে থাকে। অথচ প্রয়োজনীয় মেরামত বা সংস্কারের অভাবে এ সড়কের নাজুক পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। শুষ্ক মওসুমে ধুলা-বালি ও বৃষ্টি হলে কাঁদা-পানিতে নাকাল অবস্থা সৃষ্টি হয় ৷ এলাকায় উৎপাদিত ফসল বিভিন্ন হাট-বাজারে নেয়ার ক্ষেত্রে সীমাহীন দুর্দশায় পড়তে হয়। এছাড়া, মুমুর্ষ রোগী ও বিভিন্ন জরুরি কাজে লোকজন যাতায়াতে দারুণ দুর্ভোগ পোহায়।
স্থানীয় গ্রামের বাসিন্দা আসলাম হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ রাস্তার এমন বেহাল দশায় আমাদের ভোগান্তির সীমা নেই। রোগী ও জরুরি পণ্য নিয়ে যাওয়া-আসা করাও অনেক কঠিন। নয়াকান্দী গ্রামটি যেন অবহেলিত অবস্থায় রয়েছে।
স্থানীয় কহিনূর ইসলাম মুন্সী বলেন, অতিদ্রুত আমাদের এ রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন।
ঈদের তৃতীয় দিন শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, এ রাস্তার বিভিন্ন অংশে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে গর্তগুলো কানায়-কানায় পরিপূর্ণ হয়ে আছে। এতে, পায়ে হেটে যাওয়ার দুস্কর হয়ে পড়েছে। পথচারী অনেকেই হেঁটে বাজারে যেতে পারছেন না।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, ঈদ মানে খুশি বা আনন্দ। কিন্তু তাদের এ রাস্তার বেহাল দশার কারণে ঈদের সব আনন্দই যেন বিফলে চলে গেছে। অতিদ্রুত রাস্তার এ সমস্যা ঠিক না করা হলে সামনে বর্ষাকালে এ সমস্যা আরও বৃদ্ধি পাবে। তারা রাস্তা সংস্কার ও পাঁকাকরণের জন্য জোর দাবি জানান।
স্থানীয় ইউপি সদস্য জুমাত আলী প্রামানিক বলেন, এ রাস্তাটি দীর্ঘদিন যাবৎ অবহেলায় রয়েছে। তবে, সম্প্রতি কিছুটা কাজ হয়েছে।
এ ব্যাপারে আরুয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুন্তাকিম খান অনিক বলেন, এ রাস্তার একাংশ ইট বিছানো হয়েছে। বাকী অংশে ধাপে ধাপে কাজ করা হবে।



