Uncategorized

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান খুলছে ১ নভেম্বর

আগামী ১ নভেম্বর দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেওয়া হচ্ছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান।
এর আগে করোনাভাইরাসে কারণে গত ১৯ মার্চ বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. শফিউল আলম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে পর্যটকদের প্রবেশ সাময়িক বন্ধ করা হয়।
পর্যটক ও বন্যপ্রাণী গবেষকদের প্রিয় প্রাঙ্গণ লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি এ বছরের ২০ মার্চ থেকেই বন্ধ আছে।
প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের উদ্যানটি দীর্ঘদিন ছিল নীরব, নিস্তব্ধ। দীর্ঘদিন পর্যটকশূন্য থাকায় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান আগের পরিবেশে ফিরে গেছে। ফলে মনের আনন্দে বন্যপ্রাণী এখন ঘুরে বেড়াচ্ছে উদ্যানের ভেতর সমতলে ও গাছ থেকে গাছের ডালে।
বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ‘আগামী ১ নভেম্বর থেকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে, এমন সিদ্ধান্তের কথা আমি মন্ত্রণালয় থেকে শুনেছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলেই এ ব্যাপারে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। শুধু লাউয়াছড়াই নয়, সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জাতীয় উদ্যানেও একই সিদ্ধান্ত ঘোষিত হবে। কয়েক দিন পরই পর্যটকেরা এখনকার বন ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।’
মৌলভীবাজার বন্যপ্রাণী রেঞ্জ সূত্র জানায়, ১৯১৭ সালে পশ্চিম ভানুগাছের ১ হাজার ২৫০ হেক্টর বনভূমিকে প্রাথমিকভাবে সংরক্ষিত সম্পদ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর ১৯২৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সংরক্ষিত বন হিসেবে ঘোষণা এবং পরে ১৯৯৬ সালে ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জায়গা নিয়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান ঘোষণা করা হয়। বনের চারপাশ ঘিরে চা বাগান, হাওর, সংরক্ষিত বন ও বনসংলগ্ন গ্রাম রয়েছে।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে রয়েছে ১৬৭ প্রজাতির উদ্ভিদ এবং ২৪৬ প্রজাতির আবাসিক এবং পরিযায়ী পাখি।
এছাড়াও রয়েছে কয়েক প্রজাতির স্তন্যপায়ী, সরীসৃপ এবং উভচর প্রাণী। এগুলোর মধ্যে অন্যতম মহাবিপন্ন উল্লুক, মুখপোড়া হনুমান, লজ্জাবতী বানর, বনরুইসহ বিরল প্রজাতির বিপন্ন প্রাণী। দেশ রূপান্তর।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button