রেড জোন চিহ্নিত হওয়ায় রুমা বাজার জনমানব শুন্য

লোঙা খুমী : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরামর্শের রেড জোন চিহ্নিত হওয়ায় ৫তম দিনের মতো রুমা উপজেলা সহ বান্দরবান সদর/পৌরসভা লকডাউন কার্যক্রম চলছে। এতে রুমা উপশহর সংলগ্ন সদর ঘাট, থানা পাড়া সহ আশেপাশের এলাকা অচল হয়ে পড়েছে । কোভিড-১৯ করোনা ভাইরাস বান্দরবানের জনসংখ্যা অনুপাতে রুমা করোনা উপসর্গ বেশী সনাক্ত হওয়ার উপজেলা প্রশাসন উদ্যোগে রেড জোন হিসেবে ঘোষনা করেছে। এই পর্যন্ত রুমা উপজেলা ৬ জনের করোনা রোগে পজেটিভ হয়েছে বলে উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোগ দ্রুতই বাড়ছে বান্দরবান সহ অন্যান্য উপজেলাতেও । সাধারণ জনগণ হতে শুরু করে এরই মধ্যে বান্দরবানের জেলা প্রশাসক, এসিল্যান্ড, বান্দরবান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ অনেকেই আক্রান্ত হয়েছেন এই কুৎসিত করোনা ভাইরাস রোগে । বিগত ৬ জুন (২০২০) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং ও তার সহচর কয়েকজন এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে টনক নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। আর এই রোগ থেকে মুক্তি পেতে এক মাত্র লকডাউন বিকল্প নেই বলে চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দল সাথে অভিমত করেছে অনেক প্রবীণ মুরব্বী গণ । আর এক দিকে রোগে প্রভাবিত শুরুতে সরকারি /বেসরকারি /মানবিক সংগঠন গুলো ত্রান/প্রণোদনার দিলেও বর্তমানে থেমে যাওয়াই অনেকেই লকডাউন বিষয়ে মানতে পারছেনা । সংশ্লিষ্ট সূত্রের জানতে পারলাম, অনেক পাহাড়ের লোকজন ১০/১৫ কিলোমিটার পাড়ি দিয়েও রুমা বাজারে প্রবেশ করতে না করতেই দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। তাই সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, সপ্তাহে ২ দিন দোকানপাট খুললেও মাত্র ২ঘন্টার ভিতরে বাজার করে ফেলতে হই, তাতে লোক সমাগম বেশি দেখা দিবে । ঐ সময়ের বাজার না হলে বাজার না করেই ফিরতে হবে । এখানে অনেকেই অভিমত ব্যক্ত করেছে ,সপ্তাহে ৪/৫ দিন খুলে ২ঘন্টার জন্য বিধিসম্মত মেনেই বাজার করা যেতে পারে । আরো সচেতন মহল অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়, লকডাউন (রেড জোন) মধ্যে যানবাহন চলাচল /ঠিকাদার কাজে রুমা বাইরে থেকে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন লোক ঢুকে পড়েছে । তাতে করোনাভাইরাস কোভিড -১৯ সংক্রামক রোগ থেকে তেমন একটা প্রতিরোধের কার্যকর হবে বলে মনে করছেনা । তাই আরো প্রশাসনের কিভাবে বিধিসম্মত মেনেই লকডাউন করা যেতে পারে সেইদিকে সুদৃষ্টি রাখা কামনা করেছে ।




