রসিক নির্বাচনের ফলাফল সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা : বি. চৌধুরী

রসিক নির্বাচনের ফলাফল সরকারের প্রতি জনগণের অনাস্থা মন্তব্য করে অব্যাহত গুম-খুন-দুর্নীতি-দুবৃত্তায়নের বিরুদ্ধে এখনই রুখে দাঁড়ানোর শেষ সময় বলে মন্তব্য করেছেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট ও সাবেক রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। তিনি বলেন, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে আ.লীগ-বিএনপির জনপ্রিয়তা কমেছে। জনগন তাদের হাত থেকে মুক্তি চায়। জনগন নতুন শক্তির আকাংখা নিয়ে পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ফটোজর্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ জন দল (বিজেডি) আয়োজিত আলোচনা সভায় শুক্রবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, রসিক নির্বাচনে সরকারী দল ভোট কারচূপি করতে পারে নাই। এ কারণেই তাদের পরাজয় স্বীকার করে নিতে হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে সরকারের প্রতি অনাস্থা জানিয়েছে জনগন। দেশবাসী জনগনের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তির পথ চেয়ে আছে। আর যুক্ত ফ্রন্ট জনগনের সেই কাংঙ্খিত মুক্তি সংগ্রামে নেতৃত্ব দিবে।
বি. চৌধুরী বলেন, সরকারী দলের প্রায় সকলেই দুর্নীতিতে আচ্ছাদিত। দুর্নীতি এখন এক মহাব্যাধিতে পরিনত হয়েছে। এই ব্যাধির বিরুদ্ধেই সংগ্রাম গড়ে তুলতে হবে।
তিনি বলেন, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যত ধ্বংস করতে প্রশ্নপত্র ফাঁস, নারী-শিশু ধর্ষন, হত্যা-গুম-নির্যাতনের মাধ্যমে জনজীবনে অস্থিরতা সৃষ্টিকারী এই সরকারের ক্ষমতায় থাকার অধিকার নেই। তিনি দুই মেরুর লুটেরাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে বিজয়ের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
বিজেডি’র চেয়ারম্যান ডাঃ এস.এম শাজাহান এর সভাপতিত্বে ও মহাসচিব মাহবুবুর রহমান জয় চৌধুরীর সঞ্চালনায় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, মিথ্যুক, ভন্ড, প্রতারকরা বর্তমানে রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই যুক্তফ্রন্ট। এই ফ্রন্ট মানুষের মুক্তি সংগ্রামের নেতৃত্ব দিবে।
তিনি বলেন, মানবতার চূড়ান্ত অবমাননা চলছে। গণতন্ত্র নেই, মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নেই। দুই বৃহত দল দেশটাকে নিরাপত্তহীন করে তুলেছে। সরকারের মন্ত্রী-এমপি আর নেতাদের নেতৃত্বে চলছে ব্যাংক লুন্ঠন। আর রাজপথের বিরোধী দল নিজেদের নিয়ে ব্যস্ত। তারা সরকারের বিরুদ্ধে জনগনের দাবীর পক্ষে মাঠে নামছে না। দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি-গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধি নিয়ে তাদের কোন কর্মসূচী নাই। তিনি আশংকা প্রকাশ করেন দুই বৃহত দল দেশটাকে আবারো সংঘাতের দিকে নিয়ে যেতে চাচ্ছে।




