বিনোদন

যা আছে সালমানের ১৫০ একরের খামারবাড়িতে

মহারাষ্ট্রের পানভেলে ১৫০ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত সালমান খানের খামারবাড়ি। অবসর যাপনের এই ঠিকানার নামকরণ করেছেন বোন অর্পিতার নামে। খান পরিবারের সদস্যরা তো বটেই, ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের নিয়েও এখানে ছুটি কাটান বলিউড তারকা।
আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, সময় কাটানোর সব রকম উপকরণ হাজির এই বাড়িতে। পাহাড়ি চক্রাকার পথে সাইকেল চালানো থেকে শুরু করে সবুজ মাঠে ঘোড়া ছোটানো। আছে ট্রাক্টর-জিপও। যার যেমন পছন্দ, সে রকম গাড়ি বেছে নিতে পারবেন। রয়েছে সুইমিং পুল, জিমনেশিয়াম-সহ নানা ধরনের ব্যবস্থা।
কারো যদি বেশি হইচই পছন্দ না হয়, তিনি গাছের শীতল ছায়ায় শুয়ে বসে বই পড়ে সময় কাটিয়ে দিতে পারবেন।
এই ফার্ম হাউসেই কাটছে সালমানের লকডাউন পর্ব। ছুটি কাটাতে গিয়ে সেখানে আটকে পড়েছেন। তবে একা নন, ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের দাবি, বান্ধবী ইউলিয়া ভান্টুরও নাকি ফার্ম হাউসে রয়েছেন। এখানেই লকডাউন যাপন করছেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজও।
মার্চের মাঝামাঝি পরিচালক অভিরাজ মিনাওয়ালার সঙ্গে একটি ছবি নিয়ে আলোচনা করতে ফার্ম হাউসে যান সালমান। বোন অর্পিতার স্বামী আয়ুশ শর্মার সেই ছবিতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার কথা। ফলে আয়ুশ-অর্পিতাও হাজির হন সেখানে। সালমান ডেকে নিয়েছিলেন আরেক বোন আলভিরাকেও। স্বামী অতুলকে নিয়ে হাজির হন তিনিও।
এখানেই শেষ নয়, ভাই সোহেল খানের ছেলে নির্বাণও বন্ধু-বান্ধবদের নিয়ে ছুটি কাটাচ্ছে এখানে।
খাবারের জোগানের জন্য আপাতত তারা ভরসা রাখছেন ফার্মের ফলমূল ও আনাজপাতির ওপরে।
তবে বান্দ্রার বাড়িতে রয়ে গেছেন সালমানের মা-বাবা সেলিম খান ও সালমা খান। যেহেতু রাস্তাঘাট বন্ধ, তাই আপাতত মুম্বাইয়েই ঘরবন্দী তারা।
তবে এই বিলাসবহুল বাড়ি নিয়ে সালমানকে আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছে। পানভেল পশ্চিমঘাট পর্বতমালার ঘন অরণ্যঘেরা অঞ্চল। মহারাষ্ট্রের বন দপ্তরের অভিযোগ, এই খামারবাড়ির জন্য স্থানীয় স্পর্শকাতর বাস্তুসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button