
বর্তমানে ঢাকা শহরের প্রধানতম সমস্যা যানজট। এতে প্রতিদিন শুধুমাত্র বার লক্ষ কর্মঘণ্টাই নষ্ট হচ্ছে না, বছরে অপচয় হচ্ছে ত্রিশ হাজার কোটি টাকা। সড়ক-মহাসড়কে ‘চলন্ত রাস্তা’ শীর্ষক নতুন এক পরিবহন পদ্ধতির মধ্য দিয়ে এই সংকট দূর করা সম্ভব বলে জানালেন বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা আবু সাইয়ীদ। গতকাল মঙ্গলবার শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালার ভাস্কর্য গ্যালারিতে চলন্ত রাস্তার মডেল প্রদর্শনীর উদ্বোধন করা হয়। তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীতে পরিবহন পদ্ধতিতে এই নতুন ধারণা ‘চলন্ত রাস্তা’র বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
আবু সাইয়ীদ এক সমীক্ষার তথ্য তুলে ধরে বলেন, বর্তমানে ঢাকায় যানবাহনের গতি ঘণ্টায় ৭ কিলোমিটার। এভাবে চলতে থাকলে ২০২৫ সালে তা ৪ কিলোমিটারে দাঁড়াবে। অথচ ‘চলন্ত রাস্তা’র মাধ্যমে আমরা এ সমস্যার সমাধান করতে পারি। তিনি বলেন, ‘চলন্ত রাস্তা’ পদ্ধতি বাস্তবায়ন খরচ মেট্রো রেল বা এলিভেটরের চাইতে অনেক কম। রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানি খরচও অনেক কম। এ ছাড়া পরিবেশদূষণ কমাবে। এ পদ্ধতি বাস্তবায়ন পরবর্তিতে মোটরযানের ব্যবহার অনেক কমে আসবে। সার্বিক বিবেচনায় যাত্রী পরিবহন খাতের সমস্ত ব্যয় পঞ্চাশ ভাগের নিচে নেমে আসবে। যা নাগরিক জীবনকে করবে সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময়। তিনি চলন্ত রাস্তা নির্মাণে দুটি পদ্ধতি ‘ধীরগতি সম্পন্ন চলন্ত রাস্তা’ ও ‘দ্রুত গতিসম্পন্ন চলন্ত রাস্তা’র পদ্ধতিগত ধারণার বিস্তারিত তুলে ধরেন।
ইত্তেফাক




