
একটি টিয়া পাখি ধরিয়ে দিল খুনিকে। আমেরিকায় এক স্ত্রীর বিরুদ্ধে তার স্বামীকে খুন করার অভিযোগ ওঠে। আর ওই হত্যাকাণ্ডের একমাত্র সাক্ষী ছিল ওই টিয়া।
অভিযুক্ত গ্লেনা ডুরামের বিরুদ্ধে তার স্বামী মার্টিন ডুরামকে হত্যা করার অভিযোগ দায়ের হয়। গত বছর মে মাসে মার্টিনের বাড়ি থেকেই তার দেহ মিলে। তাদের বাড়ি মিশিগানের স্যান্ড লেকে।
মার্টিনকে তার স্ত্রী গ্লেনার পাশ থেকেই মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল। মার্টিনের পরিবার জানায়, এই টিয়া মার্টিনদের পোষা পাখি। সেই পাখিটি এই কেসের অন্যতম সাক্ষী হয়ে দাঁড়ায়।
হত্যাকাণ্ডটির পর একটি ভিডিওর ভিত্তিতে এমনটাই জানা গেছে। তার মৃত্যুর পর থেকেই টিয়া পাখিটি চিৎকার করতে শুরু করে। বিভিন্নভাবে যেন কিছু বোঝানোর চেষ্টা করে।
নেওয়াগোর অ্যাটর্নি রবার্ট স্পিংস্টিড বলেছেন, তিনি পাখিদের ভাষা বোঝার জন্য চর্চা করেছেন। পাখিটির কথা থেকেই তার তদন্ত করতেও অনেক সুবিধা হয়েছে। তিনি আরো জানিয়েছেন, তার একবার আফ্রিকান তোতা পাখি সম্পর্কে জানার সুযোগ হয়েছিল আর সেই জানাই তাকে এই কেসে এতটা সাহায্য করল। বিচারের জন্য নির্ভরযোগ্য তথ্য পেতে সাহায্য করল এই টিয়া।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানা গেছে, এই ঘটনা সম্পর্কে গ্লেনা ডুরামকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন আমি এই ঘটনা সম্পর্কে সব কিছুই জানি কিন্ত আমি আমার স্বামীকে খুন করিনি। তদন্তকারীরা এ ঘটনাটিকে একটি চক্রান্ত কিংবা আত্মহত্যা বলে দাবি করছেন। ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে পুলিশ গ্লেনার লেখা তিনটি সুইসাইড নোট পায়।
পুলিশি তদন্ত আরো একটি বিষয় সামনে নিয়ে আসছে তা হল, এই ডুরাম দম্পতির অর্থনৈতিক সমস্যা ছিল। তবে ঠিক কী কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি হল তা এখনও স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। গ্লেনার লেখা তার সুইসাইড নোটে তার সন্তানের কাছে ক্ষমা চাওয়া হয়েছে ও বলা হয়েছে তাকে ভুলে যেতে।




