
নাসির উদ্দীন, হরিরামপুর প্রতিনিধি: জৈব কৃষি চর্চা করব, রাসায়নিক সার বিষ ব্যবহার বন্ধ করি। হরিরামপুরের রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বকচর গ্রামে বিশ্ব কীটনাশক দিবস উপলক্ষে গ্রীন কোয়ালিশন সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষক গবেষক আমেনা বেগম। আলোচনা করেন উপজেলা গ্রীন কোয়ালিশনের সদস্য ইমান মোল্লা, কৃষক গবেষণক আফজাল হোসেন, মুক্তা বেগম, রামকৃষ্ণপুর ইউপি সদস্য নাসরিন বেগম, বারসিক আঞ্চলিক সমন্বয়কারী বিমল রায়, প্রোগ্রাম অফিসার সত্যরঞ্জন সাহা, মুকতার হোসেন আলোচনায় বলেন কীটনাশকের ব্যবহারের কারণে গবাদিপশু সহ প্রাণ প্রকৃতির হুমকির সম্মুখীন।
দেখা দিচ্ছে পরিবেশ বিপর্যয়। কৃষক ভুল পদ্ধতিতে মাঠে কীটনাশক প্রয়োগের কারণে অনেকেই অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। জমিতে রাসায়নিক ব্যবহারে মাটির উর্বরতা কমে যাচ্ছে। দিন দিন জমিতে রাসায়নিক সার ও বিষ ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে কেবসরকারি উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বারসিক উদ্যোগে গ্রাম পর্যায়ে জৈব উপায়ে চাষাবাদে কৃষক পর্যায়ে নিজের বাড়িতে গোবর সার দিয়ে ভার্মি কম্পোষ্ট, স্তোপ কম্পোষ্ট, জৈব সার তৈরী করি। জমিতে জৈব সার দিয়ে মাটি প্রস্তুত করে চাষাবাদ করছে। পোকা আক্রমন রোধে নিজের তৈরীকৃত বালাইনাশক (নিমপাতা, মেহগনির ফল, কল্পনাথের পাতা) ব্যবহার ও লোকায়ত চর্চা করে ভালো ফল পাচ্ছে। নিজের ঘরের বীজ হিজলদিঘা, ভাউয়াল্যা, আমশাইল, পরাংগি আউশ, তিল, কাউন, শরিষা, খেসারী, মাসকলই ও শাক সবজি চাষাবাদ করে বিষমুক্ত খাদ্য উৎপাদন করছেন।
কৃষকগণ চাষাবাদ তথ্য আদান প্রদানের মাধ্যমে বিষমুক্ত খাদ্য তৈরীর উদ্যোগ সম্প্রসারণ করছে। রাসায়নিক কীটনাশকে না বলি; মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও কৃষি বীজবৈচিত্র্য এবং প্রাণবৈচিত্র্য সুরক্ষা জৈব কৃষি আন্দোলন আরো গতিশীল হবে।



