slider

বারহাট্টা হাসপাতালে চুরির ঘটনা ধামাচাঁপার চেষ্টা, সাংবাদিককে হুমকী

মেহেদী হাসান আকন্দ: নেত্রকোণার বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নৈশ প্রহরী তরিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মালামাল রাতের আধারে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। গত ২৮ ফেব্রুয়ারী মঙ্গলবার দিবাগত রাত অনুমান ৯ টার দিকে হাসপাতালের নৈশ প্রহরী তরিকুল ইসলাম ও আউয়াল হাসপাতালের কিছু পুরাতন মালামাল ভ্যানট্রলি গাড়ীতে করে বারহাট্টা পূর্ব বাজার এলাকায় ভাঙ্গাড়ী দোকানে বিক্রি করে। হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার রাব্বী খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে চোরাইকৃত মালামাল উদ্ধার করে বলে জানা যায়।
ভাঙ্গাড়ী দোকানের মালিক কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ভ্যানট্রলি চালক গণির গাড়ীতে করে হাসপাতালের নৈশ প্রহরী তরিকুল ইসলাম ও আউয়াল এবং অজ্ঞাত আরো ২ জন ব্যক্তি হাসপাতাল থেকে কিছু মালামাল রাত ৯টার সময় তার দোকানে এনেছিল। পরবর্তীতে ডাক্তার রাব্বী বিষয়টি জানতে পেরে মালামাল গুলো ফেরৎ নিয়ে গেছে।

ভ্যানট্রলি চালক গণি জানান, হাসপাতালের নৈশ প্রহরী তরিকুল ইসলাম ও আউয়াল এবং অজ্ঞাত ২ জন ব্যক্তি হাসপাতালের কিছু পুরাতন মালামাল রাত ৯টার সময় তার ভ্যানট্রলি গাড়ীতে করে বারহাট্টা পূর্ব বাজার এলাকায় কামালের ভাঙ্গাড়ী দোকানে বিক্রি করে। পরে রাত ১০টায় তাকে ফোন করে ডেকে এনে মালামালগুলো আবার কামালের ভাঙ্গাড়ীর দোকান থেকে হাসপাতালে ফিরিয়ে নেয়।

হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার রাব্বী প্রথমে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, রাত ৯/১০ টার দিকে চুরির ঘটনা জানতে পেরে তাদের পিছু নিয়ে দোকান পর্যন্ত তিনি গিয়েছিলেন। নৈশ প্রহরী তরিকুল ও আউয়ালকে জিজ্ঞাস করলে তারা মালামালগুলো কাটতে নিয়ে এসেছেন বলে জানান। তারপর তিনি অফিস প্রধান ডাক্তার মুস্তাফিজার সাহেবের কাছে এ বিষয়ে জানতে বলেন। পরবর্তীতে ১ ঘন্টা পর এ প্রতিবেদককে ফোন করে ডাক্তার রাব্বী তার পরিচয় দিয়ে বলেন, চুরির ঘটনায় কোনো সংবাদ প্রকাশ করা হলে স্যার আপনার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করবেন।

বারহাট্টা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মুস্তাফিজুর রহমান এ ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছুই জানেন না বলে জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button