বাঁচা-মরার ম্যাচে লংকানদের শোচনীয় হার

আইসিসি ক্রিকেট বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে বাঁচা-মরার ম্যাচে লংকানরা শোচনীভাবে হেরে গেল। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২০৪ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৯ উইকেটে জয় পেয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এর আগে টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে রিভার্সসাইড গ্রাউন্ডে বাঁচা-মরার ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নেমে ৪৯.৩ ওভারে ১০ উইকেট হারিয়ে ২০৩ সংগ্রহ করে শ্রীলঙ্কা।
এর আগে শুক্রবার (২৮ জুন) ডারহামের চেস্টার-লি-স্ট্রিটে দ্য রিভারসাইড গ্রাউন্ডে টস জিতে লঙ্কানদের প্রথমে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানান প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ দু প্লেসি।
ব্যাটিংয়ে এসে ইনিংসের প্রথম বলেই বিপদে পড়ে লঙ্কানরা। কাগিসো রাবাদার করা প্রথম ডেলিভারীতে সেকেন্ড স্লিপে ক্যাচ দিয়ে গোল্ডেন ডাক নিয়ে সাজঘরে ফেরেন লঙ্কান অধিনায়ক দিমুথ করুনারত্নে। আর তাতে বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথম অধিনায়ক হিসেবে ইনিংসের প্রথম বলে গোল্ডেন ডাক পাওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।
শুরুর ধাক্কাটা আর কাটিয়ে ওঠতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট বিসর্জন দিতে থাকে তারা। অধিনায়কের বিদায়ের পর বিপর্যয় সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে কুশল পেরেরা এবং অভিষেক ফার্নান্দোর ব্যাট। দুর্দান্ত খেলতে থাকা দু’জনের ৬৭ রানের জুটি ভাঙেন ডুয়াইন প্রিটোরিয়াস। ৩০ রান করে ফেরেন ফার্নান্দো। পেরেরাকেও (৩০) বোল্ড করেন বিশ্বকাপে অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা প্রিটোরিয়াস।
এরপরই কেবল যাওয়া-আসার মাঝে থাকে লঙ্কান ব্যাটসম্যানরা। দলীয় ১০০ রানের মাথায় অভিজ্ঞ অলরাউন্ডার অ্যাঞ্জলো ম্যাথিউসকে (১১) বোল্ড করেন ক্রিস মরিস। কুশল মেন্ডিসকে (২৩) নিজের তৃতীয় শিকার বানান প্রিটোরিয়াস।
ধনাঞ্জয়া ডি সিলভা ও জীবন মেন্ডিস চেষ্টা করেন লড়াই করার। কিন্তু প্রোটিয়া বোলারদের তাণ্ডবে তাদের আয়ু বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ধনাঞ্জয়াকে (২৪) বোল্ড করেন জেপি ডুমিনি। মাটি কামড়ে পড়ে থাকা জীবনকে (১৮) ফেরান মরিস।
শেষ আশ্রয় হিসেবে থাকা থিসারা পেরেরাও (২১) তার ইনিংসটাকে বড় করতে পারেননি। শেষদিকে লঙ্কানদের ২০০ পেরোনো স্কোর এনে দেন পেরেরা এবং ইসুরু উদানা (১৭)। যাওয়া-আসার মাঝে সুরঙ্গা লাকমাল অপরাজিত ছিলেন ৫ রানে। শেষ উইকেট হিসেবে মালিঙ্গার ব্যাট থেকে আসে ৪ রান।
দক্ষিণ আফ্রিকার হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন প্রিটোরিয়াস এবং মরিস। রাবাদার শিকার দুই উইকেট।
পূর্বপশ্চিমবিডি




