Uncategorized

বগুড়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, পানি বিপদসীমার ৬২ সেন্টিমিটার ওপরে

বগুড়ার সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজানের ঢলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। সোমবার (২৯ জুন) বেলা ৩টায় যমুনা নদীর পানি বিপদসীমার ৬২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।
যমুনার অববাহিকায় চর এবং আশপাশে গ্রামগুলো জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। তলিয়ে গেছে ফসলের ক্ষেত। বন্যাকবলিত লোকজন অনেকে পাকা স্কুল, সড়ক, বাঁধ ও উঁচু স্থানে আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সংকট। যমুনা নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে জেলার ১৪টি ইউনিয়নের ৯০টি গ্রামের ১৫ হাজার ৪০টি পরিবার ও প্রায় ৫০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
এদিকে করোনার কারণে টানা তিন মাস ঘরে বন্দি লোকজনের ওপর চরম দুর্ভোগ নিয়ে এসেছে বন্যা। হাতে কাজ না থাকায় বিপাকে পড়েছে বিপুলসংখ্যক লোক। সেই সঙ্গে চরাঞ্চলে টিউবওয়েল (অগভীর নলকূপ) ও পয়োনিষ্কাশনের স্থান পানিতে তলিয়ে থাকায় সংকটে পড়েছে বানভাসি পরিবারের সদস্যরা, বিশেষ করে নারীরা।
এছাড়া বৃষ্টির কারণে জ্বালানি নষ্ট হওয়ায় রান্না করতে পারছে না ভুক্তভোগী মানুষ। হঠাৎ পানি বৃদ্ধিতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে শিশু, বৃদ্ধ ও প্রতিবন্ধীরা। এ ছাড়া অন্তঃসত্ত্বা নারীদের স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টি ও বন্যার ফলে ঝুঁকিতে রয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সদ্য মেরামত করা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।
বগুড়া জেলা ত্রাণ ও পূনর্বাসন কর্মকর্তা আজাহার আলী বলেন, বন্যাদুর্গত এলাকার জন্য সরকারিভাবে ২৫ মেট্রিক টন চাল ও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে ধুনট উপজেলায় ৫ মেট্রিক টন চাল ও ৪১ হাজার ৫০০ টাকা। সারিয়াকান্দি উপজেলায় ১৫ মেট্রিক টন চাল ও ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা। সোনাতলা উপজেলায় ৫ মেট্রিক টন চাল ও ৮৩ হাজার ৫০০ টাকা। পূর্বপশ্চিম

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button