Uncategorized

প্রেমের সম্পর্কের ধোঁয়া তুলে সালিশ বৈঠক

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুরের বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ঘৃলাই এলাকার সোনাপাড়ায় প্রেমের সম্পর্কের ধোঁয়া তুলে আয়োজিত এক সালিশ বৈঠক থেকে এক বাড়িতে সন্ত্রাসী হামলাসহ ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। এসময় সন্ত্রাসীদের মারধরে মারাত্মক আহত হন নারী-পুরুষসহ অনেকেই। এঘটনায় ১৭জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ হয়ছে। গত শনিবার রাতে এঘটনা ঘটে।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, প্রায় পাঁচ মাস আগে ওই এলাকার আব্দুর রহিমের মেয়ে রীনা বেগমের অন্যত্র বিয়ে হয়। গত ৩০ জানুয়ারি সে ¯^ামীর বাড়ি থেকে বাবার বাড়িতে আসে। পরদিনই সে বাবার বাড়ি থেকে বোনের বাড়িতে বেড়াতে যায়। এরপর সেখান থেকে সে পুরণো প্রেমিক ফিরোজ মাহমুদের সহায়তায় নারায়ণগঞ্জে চলে যায়। ৫ ফেব্রæয়ারি সে নারায়ণগঞ্জ থেকে আবারো বাবার বাড়িতে ফিরে আসে। এঘটনার পর আব্দুর রহিমের পরিবার ছড়ায় রীনা বেগমের সাথে প্রতিবেশী মাহাতাব আলীর ছেলে মোস্তাফিজার রহমানের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। একারণে রীনার সাথে মোস্তাফিজারের বিয়ে দেয়ার কথাও এলাকায় প্রচার করা হয়। বিষয়টি মাহাতাব আলীর কর্ণগোচর হলে ওইসব কথা এলাকায় না ছড়ানোর জন্য আব্দুর রহিমের পরিবারকে অনুরোধ করা হয়। আর এতেই ক্ষেপে যায় আব্দুর রহিমের পরিবার। একারণে শনিবার রাতে আব্দুর রহিমের বাড়িতে সালিশ বৈঠক ডাকা হয়। যাতে অংশ নেন এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। সালিশ বৈঠক চলাকালে আব্দুর রহিমের পরিবার বুঝতে পারেন সালিশ বৈঠকের সিদ্ধান্ত তাদের বিপক্ষে যেতে পারে। ফলে তারা সালিশ বৈঠক ছেড়ে এক জোট হয়ে দেশীয় অস্ত্র হাতে নিয়ে মাহাতাব আলীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করেন। এসময় বাধা দিতে গেলে মাহাতাব আলী, ছেলের বউ জোয়াইরিয়া, মেয়ে মাহফুজা মারধরের শিকার হন। এসময় এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে আব্দুর রহিমের লোকজন সটকে পড়েন। তবে তারা যাবার আগে বাড়ির বাইরে থাকা খড়ের গাদায় আগুন ধরিয়ে দেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- আহতরা বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এছাড়া ওই ঘটনায় মাহাতাব আলী বদরগঞ্জ থানায় ১৭জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে বদরগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরিদর্শক(তদন্ত) আরিফ আলী জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।##

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button